
মুর্শিদাবাদ জেলার ৬টি পুরসভা আগেই দখলে নিয়েছিল তৃণমূল। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়েছিল শুধু ১টি। সেই কান্দি পুরসভাও পকেটে পুরল তৃণমূল। ফলে মুর্শিদাবাদের মত শক্ত ঘাঁটিতে হোয়াইট ওয়াশ হয়ে গেল অধীর চৌধুরীর কংগ্রেস। কংগ্রেস ছেড়ে কান্দি পুরসভার ৫ জন কাউন্সিলর এদিন কলকাতার তৃণমূল ভবনে এসে তৃণমূলে যোগ দেন। অন্য এক কংগ্রেস কাউন্সিলর কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ লিখিতভাবে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে এদিন জানান তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের দাবি, এদিনের পর মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসকে দূরবীন দিয়ে খুঁজে দেখতে হবে। অন্যদিকে যেসব কাউন্সিলর এদিন তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন তাঁদের দাবি, এই সিদ্ধান্ত তাঁদের একার নয়। এলাকার মানুষের কাছে তাঁদের ইচ্ছার কথা জানিয়ে, তাঁদের সমর্থন নিয়ে তবেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তাঁরা। কী অঙ্কে কান্দি হাতে এল তৃণমূলের? ভোট যখন হয় তখন কান্দি পুরসভার ১৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেসের দখলে ছিল ১৩টি। বাম সমর্থিত নির্দলের হাতে ছিল ২টি আসন। আর তৃণমূলের হাতে ছিল ৩টি আসন। ফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বোর্ড গড়ে কংগ্রেস। গত ফেব্রুয়ারিতে কংগ্রেস ছেড়ে কান্দির ৬ কংগ্রেস কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দেন। তাতে অঙ্ক বদলে তৃণমূলের আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯। অন্যদিকে কংগ্রেসের আসন কমে দাঁড়ায় ৭। নির্দল ২। এতেও তৃণমূলের পক্ষে বোর্ড গঠন সম্ভব ছিল না। কিন্তু এদিন আরও ৬ কংগ্রেস কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর কংগ্রেসের হাতে রইল ১টি আসন। তৃণমূলের ঝুলিতে ১৫টি আসন। নির্দল ২। ফলে এবার যখন পুরসভায় আস্থাভোট হবে তখন ১৫ জন কাউন্সিলরের সমর্থনে সহজেই সেখানে কংগ্রেসকে সরিয়ে বোর্ড গড়বে তৃণমূল। যা আর কয়েকদিনের অপেক্ষা মাত্র।