তাকে নিয়ে মানুষ এত ভাবে, গত ৫ বছরে সেটাই দেখল অশ্বগন্ধা
তাকে নিয়ে কিছু মানুষের ভাবনা বহুকাল ধরেই। কিন্তু তাকে নিয়ে ভাবনাচিন্তা যে এমন বহুল হয়ে উঠেছে তা গত ৫ বছরে বুঝল অশ্বগন্ধা।

প্রাচীন ভারতে চিকিৎসা ব্যবস্থা ছিল বৃক্ষ নির্ভর। গাছ, গাছড়া, ফল, ফুল, মূল, পাতা, একটি গাছের কিছুই বাদ যেত না। একেবারে বৃহৎ বৃক্ষ থেকে ক্ষুদ্র ঘাস, প্রতিটির ওষধিগুণ সম্বন্ধে জানতেন সে সময়ের চিকিৎসক বা বৈদ্যরা।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এমন নানা গাছ গাছড়ার ব্যবহার হত। আজও হয়। ভারতের আয়ূষ মন্ত্রক এ বিষয়ে কাজ করে চলেছে। প্রাচীনকাল থেকে আজও ভারতের যে ওষধিগুণ সম্পন্ন গাছগাছড়ার নাম প্রথমসারিতে থেকেছে তার একটি অবশ্যই অশ্বগন্ধা।
অশ্বগন্ধার একটি নয়, অনেক গুণ। অনেক অসুখেরই চিকিৎসায় অশ্বগন্ধার ব্যবহার হত। ভারতের যে উষ্ণ অঞ্চল রয়েছে সেখানে অশ্বগন্ধা পাওয়া যায়।
অশ্বগন্ধা ছোট গাছ। বহুবর্ষজীবী একধরনের ভেষজ। সারাবছর পাওয়া যায়। এর ফল দেখতে খুব সুন্দর। লাল ও কমলা মেশানো। এই অশ্বগন্ধা নিয়ে গবেষণা গত ৫ বছরে নতুন গতি পেয়েছে।
অশ্বগন্ধা নিয়ে গবেষণা প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। ২০১৯ সালে মাত্র ৯৫টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছিল এই ভেষজের গুণাগুণের ওপর। ২০২৪ সালে পৌঁছে সেই গবেষণাপত্রের সংখ্যা লাফ দিয়েছে ২১১টিতে। গত ৫ বছরে ১১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে অশ্বগন্ধা নিয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশ। ভারতের আয়ূষ মন্ত্রকের তরফে একথা জানানো হয়েছে।
অশ্বগন্ধা ক্যানসার থেকে টিউমার, ফুসফুসজনিত সমস্যা থেকে অনিদ্রা, স্নায়ু চিকিৎসা থেকে মানসিক চাপ এবং এমন অনেকগুলি অসুখের ক্ষেত্রেই দারুণ কার্যকরি বলে বিভিন্ন গবেষণাপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। অশ্বগন্ধার গুণের কথা এখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে তা নিয়ে গবেষণাও হুহু করে বাড়ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা