
ঢাকার গুলশনে হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার মাস্টারমাউন্ড কানাডিয়ান-বাংলাদেশি তামিম চৌধুরীকে খতম করল বাংলাদেশ পুলিশ। তামিমের সঙ্গে তার সহযোগী আরও ২ জঙ্গিকেও গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। এদিন সকালে আচমকাই নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ার বড় কবরস্থান এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি ঘিরে ফেলে পুলিশ। সকাল সাড়ে নটার পর শুরু হয় গুলির লড়াই। গুলির লড়াই প্রায় ১ ঘণ্টা চলে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। এরমধ্যে একটি জোড়াল বিস্ফোরণও হয়। সাড়ে দশটার পর বাড়িতে ঢোকে পুলিশ। শেষ হয় অভিযান। পরে পুলিশের তরফে জানান হয় সংঘর্ষে ৩ জঙ্গিকে খতম করা সম্ভব হয়েছে। এরমধ্যে একজন তামিম। তার ছবির সঙ্গে মৃতের মুখ মিলিয়ে দেখার পরই এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন তারা। সূত্রের খবর, তিনতলা বাড়িটির চারপাশে শনিবার ভোর থেকেই পজিশন নিতে শুরু করেন সাদা পোশাকের পুলিশ। ক্রমশ পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়। কেটে দেওয়া হয় এলাকার বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও গ্যাস সংযোগ। তারপর শুরু হয় অপারেশন। ঘটনায় এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়ালেও বেলা বাড়লে ফের অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১ জুলাই গুলশনে জঙ্গি হামলায় ২০ জন প্রাণ হারান। আর তার ৫ দিন পর গত ৫ জুলাই পাইকপাড়ার এই তিনতলা বাড়িটি ভাড়া নেয় জঙ্গিরা। বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র, গোলাবারুদেরও খোঁজ পেয়েছেন তাঁরা। এদিনের জঙ্গি নিকেশকে বাংলাদেশ পুলিশের বড় সাফল্য হিসাবেই দেখছেন সকলে।