কয়েনের গায়েই দেওয়া থাকে কোন টাঁকশালে তৈরি, চেনাও খুব সহজ
যে কোনও কয়েন হাতে এলে যদি জানতে চান সেটি কোন টাঁকশালে তৈরি তাহলে তা জানার সহজ উপায় রয়েছে। কয়েনের গায়েই রয়েছে সেই উপায়।

কয়েন তো দৈনন্দিন জীবনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিনিময় মাধ্যম হিসাবে কাজে লাগছে। বাস, ট্রাম, অটো থেকে বাজার, দোকান সর্বত্র কয়েনের ব্যবহার। কয়েন দেশের বিভিন্ন টাঁকশালে তৈরি হয়।
৪টির মধ্যে কোন টাঁকশালে সেটি তৈরি তা জানার কিন্তু সহজ উপায় রয়েছে। যে কেউ চাইলেই হাতে আসা কয়েনটি পরীক্ষা করে জেনে যেতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে কয়েকটি চিহ্ন।
প্রতিটি কয়েনের গায়ে বিশেষ চিহ্ন থাকে। তা থেকে বোঝা যায় সেটি কোন টাঁকশালে তৈরি। ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন টাঁকশালটি কলকাতায় অবস্থিত। কলকাতার টাঁকশালে প্রথমে না এসে যাওয়া যাক মুম্বই টাঁকশালে।
মুম্বই টাঁকশালে কয়েনটি তৈরি কিনা তা বোঝার জন্য দেখতে হবে কয়েনের গায়ে ইংরাজি এম অক্ষর, ইংরাজি বি অক্ষর বা ডায়মন্ড বা তাসের রুইতনের মত চিহ্ন দেওয়া আছে কিনা। তাহলে সেটি মুম্বই টাঁকশালে তৈরি।
আবার হায়দরাবাদের টাঁকশালের ক্ষেত্রে চিহ্ন যাবে বদলে। সেখানে দেওয়া থাকবে মাঝখান থেকে কাটা ডায়মন্ড বা ডায়মন্ডের মধ্যে ফুটকি। এছাড়া হায়দরাবাদ টাঁকশালের হলে পয়সায় তারার মত চিহ্নও থাকতে পারে।
এবার নয়ডা। নয়ডা টাঁকশালে কোনও কয়েন তৈরি হয়েছে কিনা তা বোঝার সহজ উপায় হল কয়েনের গায়ে একটা ডট বা ফুটকি। দেশের সবচেয়ে প্রাচীন টাঁকশাল হল কলকাতা টাঁকশাল।
এই টাঁকশালে তৈরি কয়েনে কিন্তু কোনও চিহ্ন থাকেনা। যদি কোনও কয়েনে কোনও চিহ্ন খুঁজে না পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে সেটি কলকাতা টাঁকশালে তৈরি কয়েন।