
ব্রিটেনে নয়া ব্রেক্সিট সরকার গড়তে এবার স্বপ্নের দল তৈরি শুরু করলেন বরিস জনসন ও মিচেল গোভ। লন্ডনের প্রাক্তন মেয়র বরিস ও জাস্টিস সেক্রেটারি মিচেলই ছিলেন ব্রেক্সিটের পক্ষে জনমতকে একছাদের তলায় আনার মূল কাণ্ডারি। ফলে ধরে নেওয়া হচ্ছে ক্যামেরনের পর এঁদের ২ জনের মধ্যেই হয়তো একজনকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে পাওয়া যাবে। সহজ কথায় দৌড়ে এগিয়ে এঁরাই। তবে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা আপাতত দূরে সরিয়ে রেখে ব্রেক্সিটপন্থী নেতাদের নিয়ে একটা নতুন সরকারের রূপরেখা তৈরিতে মন দিয়েছেন ব্রেক্সিটের এই ২ মূল হোতা। এদিকে ব্রিটেনের দক্ষিণপন্থী নেতারা যেখানে এই জয়কে দেশের স্বাধীনতা দিবস হিসাবে ব্যাখ্যা করছেন সেখানে ব্রেক্সিট বিরোধীদের এখনও ক্ষোভ থামছে না। এদিনও ব্রিটেনের বিভিন্ন শহরে ব্রেক্সিট বিরোধীদের বিক্ষোভ মিছিল বার হয়। এদিকে ব্রিটেনের ব্রেক্সিট সিদ্ধান্ত ব্রিটেনকে সময়ের তুলনায় বাণিজ্যে অনেকটাই পিছিয়ে দেবে বলে মনে করছেন বারাক ওবামা। যদিও এসবের মধ্যে অনেকে মজা করে বলছেন ব্রেক্সিটে সবচেয়ে খুশি বোধহয় এই মুহুর্তে ভ্লাদিমির পুতিন। ব্রেক্সিটের ধাক্কায় টলমল ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবার অন্তত বেশ কিছুদিন রাশিয়ার ইউক্রেন নীতি নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় পাবে না।