
বেআইনি টোটো, ভ্যানো বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য সরকার। পরিবেশকর্মীদের মামলার প্রেক্ষিতে আগেই বেআইনি টোটো ও ভ্যানো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর না হওয়ায় এদিন বিরক্তি প্রকাশ করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর। আদালতে উপস্থিত পরিবহণ সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নির্দেশ কেন কার্যকর করা যায়নি তা জানতে চান তিনি। তিনি এও জানান সরকার যদি এই নির্দেশ কার্যকর করতে না পারে তাহলে তিনি নিজেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে দেবেন। উত্তরে আলাপনবাবু জানান, নির্দেশ কার্যকর করতে না পারার পিছনে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক অবস্থা অনেকটাই দায়ী। বহু বেকার ছেলে টোটো চালিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। বহু মানুষের জীবিকা এই যানটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। উত্তরে চেল্লুর বলেন, তাহলে তো আর্থ-সামাজিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে একসময়ে চুরি-ডাকাতিকেও মান্যতা দিতে হয়। ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি এদিন একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গড়ে দিয়েছেন। এই কমিটি টোটো ও ভ্যানো বন্ধ কার্যকর করা নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট পেশ করবে। টোটো, ভ্যানো বন্ধের পিছনে পরিবেশকর্মীদের যুক্তি হল এই দুটি যানবাহনের ধাক্কায় কোনও মানুষের মৃত্যু হলে বা তিনি জখম হলে কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না। তাই এই যানবাহনগুলি অবিলম্বে বন্ধ করা হোক।