
আগরতলার রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। এতটাই খারাপ যে সেখানে বিএমডব্লিউর মত দামী গাড়ি চালালে তাতে হামেশাই নানা সমস্যা দেখা দেবে। রাস্তার বেহাল দশার জন্য গাড়ি খারাপ হতে থাকলে তা সারাতে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় হবে। যা তাঁর বা তাঁর পরিবারের পক্ষে টানা মুশকিল। তাই তিনি উপহার হিসাবে পাওয়া বিএমডব্লিউ ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপাতত এমন এক কানাঘুষোয় দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে গেছে। রিও অলিম্পিক থেকে পদক আনতে না পারলেও তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স দেশবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। ত্রিপুরার মেয়ে দীপা কর্মকারের সেই অসামান্য কৃতিত্বকে সম্মান জানিয়ে দেশে ফেরার পর তাঁকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার হিসাবে দেন ভারতের কিংবদন্তী ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকর। কিন্তু সেই বহুমূল্য উপহারই নাকি এখন দীপার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে! রাস্তার বেহাল দশা তো আছেই, তাছাড়া বিএমডব্লিউ-র মত গাড়ি মেরামতির জন্য ভাল কোনও সার্ভিস সেন্টারও আগরতলায় নেই। তাই গাড়ি নিয়ে মাথা ব্যথা না বাড়িয়ে বরং আগামী প্রতিযোগিতার জন্য অনুশীলনে জোর দিতেই দীপা বেশি আগ্রহী।