
একজন অসাধারণ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন। তিনি জানেন তিনি কী করছেন। তিনি একজন দারুণ মানুষ। সেইসঙ্গে অত্যন্ত দৃঢ় মনের মানুষ। প্রয়োজনে শক্ত হতে পারেন। তারপরেও তিনি একজন দারুণ মানুষ। সকলেই বুঝতে পারছেন ঠিক কী বলতে চাইছি। আমরা একসঙ্গে কাজ করে চলেছি। আপনাদের জন্য কিছু করার থাকলে জানাবেন। বুধবার দিল্লির মার্কিন দূতাবাসে ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে একটি বৈঠকে এমনই জানালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেইসঙ্গে জানালেন তিনি ভারতে চাকরি তৈরি করছেন। আর প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দেশে।
ভারত-মার্কিন বাণিজ্যকে আরও বৃহত্তর করে তোলা অবশ্যই ২ দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নত করতে পারে। বর্তমান বিশ্বে অর্থনীতি একটা বড় ভূমিকা পালন করে ২টি দেশের মধ্যে সুসম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করতে। বাণিজ্য চুক্তি যত বেশি হবে ততই ২ দেশের মধ্যে আদান প্রদান বাড়বে। হয়তো সেকথা মাথায় রেখেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে মার্কিন শিল্পপতিদের কয়েকজনকে নিয়ে এসেছিলেন।
বুধবার মার্কিন দূতাবাসে উপস্থিত ভারতীয় শিল্পপতিদের মধ্যে হাজির ছিলেন রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ আম্বানিও। সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করার পর অবশ্যই ২ দেশের মধ্যে শিল্পবাণিজ্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত হওয়ার কথা। ভারতীয় শিল্পপতিদের একটা দিশা তো অবশ্যই দিয়েছেন ট্রাম্প বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা