
নবমী রাতের দুঃখ দশমী দিয়ে পুষিয়ে নিলেন তিলোত্তমার আমজনতা। বিজয়া দশমীর চেনা ছবি এদিন সন্ধেতে ছিল অমিল। পরপর বারোয়ারি ভাসান নেই। নেই রাস্তায় ফাঁকা ফাঁকা ভাব। নেই পুজো শেষের ক্লান্তি নিয়ে পড়ে থাকা কিছু আলো নেভা রাস্তা। বরং সে জায়গায় শহরকে কিছুটা চমকে দিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে সন্ধে নামতেই উপচে পড়ল ভিড়। এবার সরকারি নিষেধাজ্ঞার গেরোয় অনেক বারোয়ারিই বিসর্জন পিছিয়ে দিয়েছেন বৃহস্পতিবারে। ফলে ঠাকুর দেখার সময়সীমা নিয়মের জেরে বেড়েছে। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছেন শহরবাসী। নবমীর রাতের সব প্ল্যানে জল ঢেলে দিয়েছিল অসুর বৃষ্টি। বিজয়াতেও সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঝেঁপে বৃষ্টি আর আকাশ ভরা কালো মেঘের আনাগোনা সন্ধে নিয়ে একটা অশনি সংকেত বয়ে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু বিকেলের পর আকাশ পরিস্কার হওয়ায় ভরসা পান অনেকে। ফলে আর দেরি নয়। অনেকেই দশমীর সন্ধেয় বেরিয়ে পড়েন ঠাকুর দেখতে। যে ভিড় রাত পর্যন্ত বজায় ছিল।