World

শুধু পিরামিড নয়, মিশর সম্বন্ধে ধারনাই বদলে দিল নতুন আবিষ্কার

মিশর বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পিরামিড। কিন্তু মিশর যে কতটা বর্ধিষ্ণু প্রাচীন সভ্যতা তা এক নতুন খোঁজ থেকে পরিস্কার। যা বদলে দিতে পারে মিশরের ইতিহাস।

মিশর বললেই মানুষের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালকার সব পিরামিড। এছাড়া বালি, উট, নীল নদ এবং কয়েকটি এমন দেবতার চেহারা যা প্রায়ই বইয়ের পাতায় নজর কাড়ে। কিন্তু বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এই সভ্যতা কেবল পিরামিড বা বালিতেই শেষ হয়ে যায়না।

বরং মিশর নিয়ে যত কাজ হচ্ছে, ততই সামনে আসছে এমন সব তথ্য যা মিশর সম্বন্ধে প্রচলিত ধারনা এবং মিশরের চেনা ইতিহাসকে বদলে দিতে পারে। মিশরের ঐতিহাসিক লাক্সার শহরের রামেসিয়াম মন্দিরে খননকার্য চালিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিকরা এমন কিছু নিদর্শন পেয়েছেন যা কার্যত তাক লাগিয়ে দিয়েছে।


এই রামেসিয়াম মন্দিরে একটি ছোটদের জন্য স্কুল ছিল বলে জানতে পেরেছেন ঐতিহাসিকরা। এই প্রথম এমন কোনও স্কুলের খোঁজ মিলল। সেখানে ব্যবহার হওয়া খেলনা ও ড্রয়িং খাতাও পেয়েছেন তাঁরা। ছোটদের শিক্ষার কথা ভেবে যে সেই প্রাচীন সময়েও যথেষ্ট আধুনিক উপায়ে পড়াশোনার ব্যবস্থা ছিল সে নিদর্শন পরিস্কার।

এখানেই শেষ নয়। রামেসিয়াম মন্দির কেবল উপাসনাস্থলই ছিলনা, ছিল প্রশাসনিক কাজের জায়গাও। মন্দিরের পূর্ব দিকে বেশ কয়েকটি বাড়ির খোঁজ মিলেছে। সেসব বাড়ি পরীক্ষা করে প্রত্নতাত্ত্বিকরা নিশ্চিত যে সেখান থেকে প্রশাসনিক কাজ চলত। সেখানে তাবড় আধিকারিকরা বসতেন।


এছাড়া মন্দিরের এক প্রান্তে অলিভ তেল সংরক্ষিত করে রাখা হত। সযত্নে রক্ষিত হত মধুও। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা ও কুটিরশিল্পীদের মধ্যে নানা প্রয়োজনীয় জিনিস বণ্টনের ব্যবস্থা ছিল এই মন্দির চত্বরে।

যে সব নিদর্শন লাক্সারের এই রামেসিয়াম মন্দির থেকে পাওয়া গেল তা কার্যত মিশরকে নতুন করে চিনতে ও বুঝতে সাহায্য করবে। প্রসঙ্গত দ্বিতীয় রামেসিসের রাজত্বকালে এই মন্দির স্থাপিত হয়েছিল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button