
তিথি মত প্রায় প্রতি বছরই দোল আর হোলি পরে পরপর দুদিন। দোল পূর্ণিমাতে পশ্চিমবঙ্গে পালিত হয় দোল উৎসব। রঙের খেলা। কিন্তু সেদিন ভারতের অন্য রাজ্যগুলিতে সাধারণ দিন। এমনকি অফিস কাছারিও থাকে খোলা। দোলের পরদিন থাকে হোলি। সেদিন গোটা দেশ মেতে ওঠে রঙের খেলায়। যদিও পশ্চিমবঙ্গে বাঙালিদের মধ্যে ওদিন রঙ খেলার রীতি নেই। তবে রাজ্যে বসবাসকারী অবাঙালি মানুষজন মেতে ওঠেন রঙ খেলায়। সোমবার সেই হোলি উৎসব পালিত হল গোটা দেশে। রাজ্যের বিভিন্ন ফানপার্কে আয়োজিত হয়েছিল হোলির বিশেষ বন্দোবস্ত। রেন ডান্স থেকে হোলির রঙে রঙিন হলেন বহু মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও রঙের উৎসবে মাতোয়ারা সব বয়সের মানুষ। মুম্বই, দিল্লি সহ বিভিন্ন শহরে হোলি খেলার জন্য বিশেষ আয়োজন হয়েছিল। ছিল গান বাজনার ব্যবস্থা। সঙ্গে নানা হোলি স্পেশাল মিষ্টি, ভাঙ, ঠান্ডাই। রঙ খেলার ফাঁকে ফাঁকে চলেছে মুখ। গানের তালে দুলেছে শরীর। রাজস্থানের জয়পুরে প্রতি বছরের মত এবারও আয়োজিত হয় হাতির পিঠে হোলি। রাজপুত রীতি মেনে রাজরাজড়ার হোলি। মূলত পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই এই হোলির বন্দোবস্ত হয়। হাতির পিঠে বসেই একে অপরের দিকে ছুঁড়ে দেন বাহারি রঙের আবীর। বিহারের কাপড়াফার হোলিও বিখ্যাত। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হোলি পালিত হয়েছে চিরাচরিতভাবেই। দেশবাসীকে হোলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী। এদিন দেশবাসীর সঙ্গে রঙের খেলায় মেতে ওঠেন বিভিন্ন নেতা মন্ত্রীরাও।