
নির্বিষ পিচ হলে যে ২০০-র কাছে রানও যথেষ্ট নয় তা ফের প্রমাণ করল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে। যেখানে বিরাটের দুরন্ত ইনিংসও ফিকে হয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপুটে ব্যাটিংয়ের সামনে। ফল একটাই। ইডেনে টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে দেখা যাবে না ভারতকে। ফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মা, অজিঙ্কা রাহানে সকলেই ভাল রান পান। পরে বিরাট কোহলির দুর্দান্ত ইনিংস কার্যত ভারতকে ১৯৩ রানের পাহাড় গড়তে সাহায্য করে। আপাত দৃষ্টিতে কঠিন চ্যালেঞ্জ। আবার শুরুতেই ক্রিস গেইলের উইকেট পাওয়ায় তামাম ভারত ধরেই নেয় দিনটা তাদেরই। ইডেনে ইংল্যান্ড বধ সম্ভব হবে কিনা তা নিয়েও শুরু হয় চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্ত সেমিফাইনালে তখনও অনেক কিছু দেখা বাকি। চার্লস-সিমন্স জুটি যখন মাঠে চার, ছয়ের তুফান তুলল তখনও আস্কিং রেট ১১-র ওপর। একে তো পিচ সহায়। তার ওপর দেখা গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাগ্যও এদিন সহায়। সিমন্স দুবার ক্যাচ আউট হয়েও থেকে গেলেন মাঠে। কারণ দুটি বলই ছিল নো বল। এমন অলৌকিক ঘটনা সচরাচর মাঠে দেখা যায় না। দিনের শেষে কিন্তু এই সিমন্সই খেলাটাকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে গেলেন। ২ বল বাকি থাকতেই ছয় মেরে খেলা শেষ করেন রাসেল। ভারতকে সাত উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট জোগাড় করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিম মাঠেই উৎসবে মেতে ওঠে। অন্যদিকে দর্শক আসনে তখন সব হারানোর নিস্তব্ধতা।