লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে রাজ্য রেল বৈঠকে সদর্থক ইঙ্গিত
লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে সোমবার নবান্নে রাজ্য প্রশাসন ও রেল কর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়। সেই বৈঠক থেকে মিলল সদর্থক ইঙ্গিত। ফের বৈঠক আগামী বৃহস্পতিবার।

কলকাতা : নভেম্বর পড়ে গেছে। অনেক কিছুই খুলে গেছে। মেট্রো রেলও যাত্রী নিয়ে ছুটছে গন্তব্যে। রাজ্যে কেবল এখনও চাকা ঘোরেনি লোকাল ট্রেনের। এদিকে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে যাত্রীদের ধৈর্যের বাঁধ ক্রমশ যে ভাঙছে তা সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনা থেকে পরিস্কার।
এই অবস্থায় রাজ্য সরকার ও রেল বৈঠকে বসল লোকাল ট্রেন চালু করা কীভাবে যায় তার রূপরেখা স্থির করতে। নবান্নে সোমবার বৈঠক হয়। যে বৈঠক থেকে সদর্থক ইঙ্গিত উঠে এসেছে।
লোকাল ট্রেন চালু করা নিয়ে রাজ্য ও রেল এদিন সহমতে পৌঁছেছে। তবে তা কীভাবে হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কবে থেকেই বা লোকাল চালু হবে তাও স্থির হয়নি।
করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কীভাবে সংক্রমণ সম্ভাবনাকে এড়িয়ে লোকালে যাত্রী পরিষেবা চালু করা হবে তা নিয়ে বিশদে আলোচনা হয় এদিন। রেল কর্তারা মেট্রোর মতই ই-পাস চালুর কথা ভাবলেও তাতে কিছুটা আপত্তি রয়েছে রাজ্যসরকারের।
শহরে অ্যাপ নির্ভর এই পাস বার করতে যাত্রীরা সাবলীল হলেও মফস্বল বা গ্রাম থেকে আসা মানুষজন সকলে এমনটা পারবেনই, তা নাও হতে পারে। তাই তাঁরা সেক্ষেত্রে বঞ্চিত হতে পারেন এই পরিষেবা থেকে বলে মনে করছে রাজ্য।
রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে ট্রেন চালু করা যায় সে বিষয়ে তাঁরা রেলের কাছে পরিকল্পনার কথা জানতে চেয়েছেন। আগামী বৃহস্পতিবার তা নিয়ে ফের বৈঠকে বসছে রাজ্যসরকার ও রেল।
অন্যদিকে রেল বলেছে, তারা চাইছে আপাতত ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ট্রেন চালিয়ে পরিষেবা শুরু করতে। ক্রমে তা ২৫ শতাংশে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে।
অন্যদিকে একটি ট্রেনের যাত্রী আসনের অর্ধেক যাত্রীকেই ট্রেনে উঠতে দেওয়া হবে। তার চেয়ে বেশি নয়। এভাবেই লোকাল চালু করে পরিস্থিতি দেখতে চাইছে রেল।
তবে তা কবে থেকে চালু হবে বা কী নিয়মে চালু হবে, ট্রেনের টিকিট কীভাবে কাটা যাবে সেসব বিষয়গুলি নিয়ে বৃহস্পতিবার আলোচনা হতে চলেছে। এদিকে সোমবারও যাত্রী বিক্ষোভ হয়েছে হুগলির বিভিন্ন স্টেশনে।