
রাত ২টো ২০। মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর থেকে দিল্লির দিকে দ্রুত গতিতে ছুটে চলেছে নিজামুদ্দিন মহাকোশল এক্সপ্রেস। উত্তরপ্রদেশের মহোবা স্টেশনের কাছে ট্রেনে প্রবল ঝাঁকুনি অনুভব করেন যাত্রীরা। বেশ বুঝতে পারেন গাড়ি আর লাইনে নেই। তা এখন টাল হারিয়ে ঘষটাচ্ছে। রাতের ট্রেনে তখন অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। এমন ভয়াবহ ঝাঁকুনি আর অদ্ভুত আওয়াজে টালমাটাল হয়ে পড়েন তাঁরা। অনেকেই বার্থ থেকে পড়ে যান। আর্তনাদ ভেসে আসে বিভিন্ন কামরা থেকে। ততক্ষণে ট্রেনের ৮টি কামরা লাইন ছেড়ে অনেকটা দূরে চলে গিয়ে আটকে যায়। যাত্রীরা এ ওর ঘাড়ে উল্টে পড়েন। নানাভাবে জখম হন অনেকে। তাঁদের মধ্যে ৫২ জনের আঘাত গুরুতর। যাঁদের মধ্যে আবার ১০ জন অতি গুরুতর আঘাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। রাতেই ঘটনাস্থলে হাজির হন রেল আধিকারিকরা। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। প্রাথমিক তদন্তের পর রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, লাইনে ফাটল থাকায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। যে ফাটল ধরা পড়েছে তা পুরনো ফাটলও নয়। সবদিক খতিয়ে দেখে উত্তরপ্রদেশ এটিএস এর পিছনে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না। তদন্ত শুরু হয়েছে।