
তোলাবাজি কাণ্ডে সল্টলেকের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বিধায়ক অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের পর বৃহস্পতিবার তার প্রধান সাগরেদ নাসিমকেও গ্রেফতার করল পুলিশ। এদিন বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। অনিন্দ্যকে ভয় দেখানো, তোলাবাজি সহ যে ধারাগুলি দেওয়া হয়েছিল, পুরসভার ঠিকাকর্মী নাসিমকেও ঠিক সেই ধারাগুলিই দিয়েছে পুলিশ। আগামী শুক্রবার নাসিমকে বিধাননগর আদালতে পেশ করা হবে। সিন্ধু কুণ্ডু নামে আর এক কুখ্যাত তোলাবাজকেও অনিন্দ্যর সঙ্গী হিসাবে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সন্তোষ লোধের অভিযোগক্রমেই এদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে যদিও সন্তোষবাবু কেবল অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের নাম দিতে পেরেছিলেন। সঙ্গে লিখেছিলেন অন্যরা। এই অন্যরা লেখার কারণ অন্য যারা অনিন্দ্যর হয়ে হুমকি দিত তিনি তাদের চিনতেন না। এদিকে যত দিন যাচ্ছে ততই এলাকা জুড়ে সামনে আসছে অনিন্দ্যর তোলাবাজির তাজ্জব করে দেওয়া নমুনা। যেখানে এলাকার ছাতা সারাইওয়ালা থেকে ফুটের ধারে ব্যবসা করা সামান্য দোকানদার কেউই রেহাই পেতেন না। তবে নিজে হাতে নয়, টাকা আদায়ে নিয়মিত এলাকায় ঘুরে বেড়াত বাইক বাহিনী। সঠিক সময়ে তোলার টাকা না পেলে অনিন্দ্যর সেই সাগরেদরাই নাকি শাসিয়ে আসত ‘ডিফল্টার’-কে। দাদার নামে চলত ১০০ টাকা থেকে শুরু করে লক্ষলক্ষ টাকার তোলা আদায়। ছাড় ছিল না কারও!