
শুক্রবার রাতেই রিলিজ অর্ডার পৌঁছে গিয়েছিল আলিপুর সংশোধনাগারে। কিন্তু অত রাতে আর সেখান থেকে বার হননি মদন মিত্র। বার হলেন শনিবার ভোরে। ভোর সাড়ে ছটা নাগাদ সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পেয়ে সোজা গিয়ে ওঠেন ভবানীপুরের একটি হোটেলে। হোটেলের পাঁচতলার ৫০২ নং ঘরে তাঁর থাকার ব্যবস্থা আগে থেকেই করে রাখা হয়েছে। কিন্তু ছাড়া পেয়ে বাড়ি গেলেন না কেন? আদালত শুক্রবারই জানিয়েছিল, মদনবাবুকে জামিনে মুক্তির পর ভবানীপুর থানা এলাকায় থাকতে হবে। তাঁর বাড়ি কালীঘাট থানা এলাকার অন্তর্গত। ফলে বাড়ির কাছে গিয়েও দরজা পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেন না তিনি। আপাতত ভবানীপুরের এই হোটেলই মদনবাবুর ঠিকানা। তবে তাঁর আইনজীবীরা মদনবাবুর বাড়ি ফেরা নিয়ে তৎপর হচ্ছেন। আদালতের কাছে সেই মর্মে আবেদনও জানাতে চলেছেন তাঁরা। এদিকে এতদিন পর ছাড়া পেয়ে কার্যতই খুশি মদনবাবু। আপাতত ছুটি কাটাতে চান। উপভোগ করতে চান আসন্ন শারদোৎসব। তিনি যে একাকীত্বে ভুগছেন তাও এদিন গোপন করেননি মদনবাবু। এদিন তাঁর মুক্তির পর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হাজির হন তাঁর পরিবারের সকলে। হাজির হন অনুগামীরাও। তবে দেখা মেলেনি তাঁর দলের নেতাদের। এদিন বিদেশ সফর ছেড়ে দেশে ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তিনিও মদন মিত্রের জামিনে মুক্তি নিয়ে একটা কথাও খরচ করেননি। তবে মদনবাবু জানিয়েছেন, তিনি নির্দল নন। দল তাঁর পাশেই আছে। মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যের ১১ কোটি মানুষের নয়নের মণি বলেও ব্যাখ্যা করেন তিনি। এদিকে মদন মিত্রের জামিন মঞ্জুরের নির্দেশের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে সিবিআই। সিবিআই আইনজীবীর দাবি, মদন মিত্র এখনও প্রভাবশালী। আর সেকথাই তিনি হাইকোর্টকে বুঝিয়ে বলবেন।