
পূর্বাভাস ছিলই। আর তা অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণ করে বিকেল নামতেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেল। কলকাতায় ঝোড়ো হাওয়া বইলেও বীরভূম, বাঁকুড়া, বর্ধমান ও নদিয়ায় প্রবল ঝড় হয়। সঙ্গে ছিল মুষলধারায় বর্ষণ আর শিলাবৃষ্টি। ছিল মুহুর্মুহু বজ্রপাত। কালবৈশাখীর মধ্যেই বীরভূমে বজ্রপাতে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ঝাড়খণ্ড ও উত্তর ওড়িশার ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। সেই ঘূর্ণাবর্তের জেরেই এই কালবৈশাখীর দাপাদাপি। কালবৈশাখীর জেরে অন্যান্য জায়গায় মানুষ ভ্যাপসা গরমের হাত থেকে মুক্তি পেলেও কলকাতার মানুষের কাছে এদিন তা অধরাই থেকে গেছে। বিকেল থেকে কলকাতায় ঝোড়ো হাওয়া থাকলেও বৃষ্টি হয়েছে সামান্য। তুলনায় বজ্র ঝলকানি ছিল অনেকটাই বেশি। এদিন কলকাতার আকাশ প্রমাণ করে দিল সেই প্রবাদ, যত গর্জায় তত বর্ষায় না।