
ধূর্ত, হিংস্র, রক্তপিপাসু, দানবাকার। ১৯৯৭ সালে লুইস লোসা পরিচালিত ‘অ্যানাকোন্ডা’-য় অ্যামাজনের মৃত্যুদূতের কার্যকলাপ দেখে ঠিক এমনটাই মনে হয়েছিল শিহরিত বিশ্ববাসীর। আদতে যদিও সেই অ্যানাকোন্ডা আপাত নিরীহ একটি সরীসৃপমাত্র। মানুষের রক্তমাংসের উপর বিন্দুমাত্র লোভ নেই অলস স্বভাবের প্রাণিটির। শীতের মরশুমে চিড়িয়াখানামুখী পর্যটকদের উৎসাহের তাপমান বাড়িয়ে একেবারে ৪টে অ্যানাকোন্ডা আনার সিদ্ধান্ত নিল আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার আলিপুর চিড়িয়াখানায় সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় গত অক্টোবরে জাপান থেকে আনা ৪টি ক্যাঙ্গারুর ঘেরাটোপ। খুলে দেওয়া হয় হায়দরাবাদ থেকে নিয়ে আসা ২টি করে সিংহ ও জাগুয়ার এবং ৬টি মাউস ডিয়ারের ঘেরাটোপ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম মাদ্রাজের ক্রোকোডাইল ব্যাঙ্ককে ৪টি করে শঙ্খচূড় ও কেউটে সাপের দিয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ অবধি ৪টি বৃহদাকার অ্যানাকোন্ডাকে নিয়ে আসার কথা জানান। নতুন অতিথিদের স্বাগত জানাতে ইতিমধ্যেই চিড়িয়াখানায় শুরু হয়েছে ব্যাপক তোড়জোড়।