
নিউ টাউনের জ্যোতিনগর থেকে উদ্ধার হল এক দম্পতির মৃতদেহ। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ মৃত রঙ্গলাল মজুমদার নিয়মিত স্ত্রী আলোদেবীর ওপর অত্যাচার করতেন। আতঙ্কে রাতে ছেলেমেয়ের সঙ্গে ঘুমতেন আলোদেবী। পরিবারের দাবি গত রবিবার স্বামীর অনুরোধে সাড়া দিয়েই একঘরে ঘুমোতে রাজি হন তিনি। পরদিন সকালে তাঁদের ডেকেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ফেলেন বাড়ির লোকজন। দেখা যায় গলায় গামছার ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মেঝেতে পড়ে বছর ৪৫-এর আলো মজুমদারের দেহ। ঘরের সিলিং থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে ৫৫ বছরের রঙ্গলাল মজুমদারের দেহ। সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করে রঙ্গলালবাবু আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তের পর মনে করছে বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ। অন্য পুরুষের সঙ্গে আলোদেবীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলেই মনে করতেন রঙ্গলালবাবু। সেই সন্দেহেই তিনি স্ত্রীকে খুন করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর মনে করছে পুলিশ।