Lifestyle

এবার বোধহয় সকলকেই চিউইং গাম চিবোতে হবে, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট

চিউইং গাম চিবোতে যে সকলেই পছন্দ করেন এমন নয়। তবে আগামী দিনে বোধহয় পৃথিবীর সকলকেই চিউইং গাম চিবোতে দেখা যেতে চলেছে।

চিউইং গাম চিবোনোর প্রবণতা একটা সময় বিশ্বজুড়ে যথেষ্টই ছিল। বিশেষত নব্য প্রজন্মের বেশ পছন্দের বস্তু হয়ে উঠেছিল চিউইং গাম। তবে সময়ের সঙ্গে তার জনপ্রিয়তা কমেছে। এখনকার নব্য প্রজন্ম চিউইং গামের তেমন ভক্ত নয়।

তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে এখনও চিউইং গাম চিবোনোর প্রবণতা কিছুটা নজর কাড়ে। তবে জনপ্রিয়তা কমুক বা বাড়ুক, ভাল লাগুক বা না লাগুক, পৃথিবীর সকলকেই হয়তো চিউইং গাম চিবোতে দেখা যেতে পারে।


আমেরিকা ও ফিনল্যান্ডের একদল গবেষক একধরনের সিম দিয়ে চিউইং গাম তৈরি করেছেন। বাজারে পাওয়া সিম নামে সবজি ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে তাঁরা যে বিশেষ ধরনের সিমের প্রজাতি ব্যবহার করছেন সেটির নাম ল্যাবল্যাব বিনস।

মূলত এই সিম আফ্রিকায় পাওয়া যায়। এই সিম দিয়ে তৈরি চিউইং গাম অবশ্য নিছক মুখে ভাল লাগার কারণে পরিচিতি পেতে চলেছে এমনটা নয়। বরং তার প্রধান কাজ হবে ২ ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা এ স্ট্রেন এইচ১এন১ ও এইচ৩এন২ এবং ২ ধরনের ভাইরাস এইচএসভি- ১ ও এইচএসভি-২, এই সাকুল্যে ৪ ধরনের ভাইরাসে মানুষের কাবু হওয়া রুখে দেওয়া।


এর প্রতিটিই এক এক মরসুমে মানবদেহে সংক্রমণ ঘটায়। ফলে মানুষ রোগের শিকার হয়। ভাইরাস জ্বর, ফ্লুতে আক্রান্ত হতে হয় বহু মানুষকে। গবেষকদের দাবি, তাঁদের তৈরি এই চিউইং গাম চিবোতে পারলে এই ভাইরাস জনিত রোগগুলি থেকে দূরে থাকা যাবে।

কারণ ল্যাবল্যাব বিনসের নির্যাস এই ভাইরাসগুলিকে নিষ্ক্রিয় করতে সিদ্ধহস্ত। এখনও অবশ্য এই চিউইং গাম সাধারণের ব্যবহারের ছাড়পত্র পায়নি। তবে সেই পথে এগোচ্ছেন গবেষকেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button