
তখনও সব ফল বার হাওয়া বাকি। তবে ছবিটা স্পষ্ট। রাজ্যে ফের ক্ষমতায় ফিরছে তৃণমূল। আর তা রাজ্যের সিংহভাগ মানুষের রায়ে। তাই আর সময় নষ্ট না করে কালীঘাটে তাঁর বাসভবনেই সাংবাদিক বৈঠকে বসে রাজ্যের মানুষকে বিপুল ভোটে তৃণমূলকে ফিরিয়ে আনার জন্য ধন্যবাদ জানান। উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই জয় এসেছে বলে দাবি করেছেন মমতা। এদিন অভিযোগের সুরেই মমতা বলেন, ভোটের আগে রাজ্যে একটা সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সেই সন্ত্রাসকে নস্যাৎ করেই মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন। সেইসঙ্গে তাঁরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ করেই তাঁদের রায় দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন মমতা। ভোটের আগে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মমতাকে কটাক্ষ করতে দেখা গেলেও এদিন রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে এদিনও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। পুলিশ অনেক জায়গায় বাড়াবাড়ি করেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রাজ্যের সংবাদমাধ্যমের একাংশের বিরুদ্ধেও। এদিনও কয়েকজন সাংবাদিকের উত্তর দিতে গিয়ে অল্প হলেও মেজাজ হারান তিনি। তবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে ২০ মে শপথ নিয়েছিল তাঁর সরকার। কিন্তু এবছর তা সম্ভব নয়। অথচ শুক্রবার তাঁর পছন্দের। ওদিনই শপথ গ্রহণে ইচ্ছুক তিনি। তাই আগামী ২৭ মে তাঁর মন্ত্রিসভা শপথ নেবে বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে ২০ মে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীরা কালীঘাটে হাজির হয়ে পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। পাশাপাশি ২০ মে থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হবে বিজয় উৎসব পালন। যা ৩০ মে পর্যন্ত চলবে।