
অবশেষে সব প্রতীক্ষার অবসান। এদিন বক্তব্যের শুরুটা এভাবেই করলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। উপলক্ষ্য ছিল রাজ্য কংগ্রেসের প্রথমসারির নেতা মানস ভুঁইয়ার তৃণমূলে আনুষ্ঠানিক যোগদান। সেখানে প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানস ভুঁইয়াকে পাশে বসিয়ে পার্থবাবু দিনটিকে স্মরণীয় বলে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর বক্তব্য পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের কাজ করার সুযোগ হওয়ায় তিনি খুশি। মানস ভুঁইয়ার হাতে এদিন দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন মুকুল রায়ও। এদিন মানস ভুঁইয়া ছাড়াও তৃণমূলে যোগ দেন মহম্মদ সোহরাব, কনক দেবনাথ, অসিত মজুমদার, খালেক ইবাদুল্লার মত রাজ্য কংগ্রেসের নেতারা। এছাড়াও এদিন অনেক কংগ্রেস সম্পাদক, ছাত্র পরিষদের নেতা তৃণমূলে যোগ দেন। এতজন একসঙ্গে একদিনে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেসে জগাই-মাধাই ছাড়া আর কেউই রইলনা। নাম না করলেও জগাই-মাধাই বলে তিনি কংগ্রেসের কোন দুই নেতাকে ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল। এদিকে এদিন তৃণমূলে নাম লেখানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে কিছুটা বিব্রতই দেখিয়েছে মানস ভুঁইয়াকে। তাঁর দাবি, রাজনীতি অনেকটা নদীর প্রবাহমান ধারার মত। কোথাও থেমে থাকার জায়গা নেই। এখন তিনি তৃণমূলের কর্মী। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে তিনি সেভাবেই নিজের কাজ করে যাবেন। তবে বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগের প্রসঙ্গ এদিন এড়িয়ে যান মানসবাবু। এদিন সকলের সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দেন মানসপত্নী গীতা ভুঁইয়াও।