
৫-০ গোলে আইজলকে উড়িয়ে দিয়ে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এই নিয়ে ১৪ বার ফেড কাপ ঘরে তুলল বাঙালির গর্বের পাল তোলা নৌকা। আইলিগের দুঃখ ভুলে বাংলার ঘরে ঢুকল ফেডারেশন কাপ জয়ের অহংকার। আইলিগ হাতের মুঠোয় এসেও হাতছাড়া হয়েছিল সঞ্জয় সেনের ছেলেদের। সেই কষ্ট বুকে চেপে ফেডারেশন কাপের দৌড়ে মাঠে নেমেছিল মোহনবাগান। তারপরটা শুধুই ম্যাজিক। লাজংয়ের কাছে হেরে ফেড কাপ থেকে ইস্টবেঙ্গল ছিটকে যাওয়ার পর বাংলার সম্মানরক্ষার দায়িত্ব গিয়ে বর্তায় মোহন বাগানের ওপর। আইলিগ হাতছাড়া হলেও মোহন শিবির যে ফেড কাপ হাতছাড়া হতে দেবে না তা সেমিফাইনালের প্রথম লেগে লাজংকে ৫-০-এ হারিয়ে পরিস্কার করে দিয়েছিল সবুজ-মেরুণ। বাকি ছিল ফাইনালে শেষরক্ষা। সেই দায়িত্বহ ডিস্টিংশন নিয়ে সফল হয়ে দেখাল জেজে, নর্ডিরা। গুয়াহাটিতে এদিন ফেডারেশন কাপ ফাইনালে ৯০ মিনিট মাঠে রাজত্ব করল মোহনবাগান। দাপিয়ে বেড়াল গোটা মাঠ। ছিনিমিনি খেলল আইজল এফসির রক্ষণভাগ নিয়ে। এদিন প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ। হলেও দ্বিতীয়াধে৪র শুরু থেকে মাঠের দখল নিয়ে নেয় সবুজ মেরুণ। প্রথম গোল আসে সনি নির্ডর হাত ধরে। ৪৮ মিনিটে সনির শট আইজলের জালে জড়ানোর ১০ মিনিটের মাথায় ধনচন্দ্রের শটে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বেশ কিছুক্ষণ দাপিয়ে বেড়ানোর পর তৃতীয় গোলটি আসে ৭৩ মিনিটে। জেজের শট আইজল গোলকিপারকে পর্যদুস্ত করে ঢুকে পড়ে আইজলের তেকাঠির মধ্যে। এর ঠিক ৯ মিনিটের মাথায় ফের মোহনবাগদানকে গোল পার্থক্যে এগিয়ে দেন বিক্রমজিৎ জিং। ৮২ মিনিটের শেষে ৪-০-এ এগিয়ে থাকা মোহনবাগানের জয়ের জন্য তখন শুধু খেলা শেষ হওয়ার অপেক্ষা। কিন্তু তখনও পিকচার বাকি ছিল মোহন সমর্থকদের জন্য। ৮৮ মিনিটের মাথায় জেজের শট ফের ঢুকে পডে আইজলের জালে। ৫-০। এদিন খেলার শেষে মোহন কোচ সঞ্জয় সেন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান ফেড কাপ জেতাটাকে তাঁর জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর ছেলেরা সেই স্বপ্ন পূরণ করে দেখিয়ে দিল।