
অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। আর মুখ খুলেই উগরে দিলেন বিদ্বেষ। গোরক্ষকদের সমাজবিরোধী বলে ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোরক্ষার নামে গুজরাটের উনায় গরুর চামড়া ছাড়ানোর ‘অপরাধ’-এ ৪ দলিত যুবককে বেধড়ক মারের ঘটনায় দেশ জুড়ে ছিছি পড়ে যায়। চাপে পড়ে যায় কেন্দ্র। সংসদ থেকে জনসভা, সর্বত্র সুর চড়ায় বিরোধীরা। ফলে ভোটব্যাঙ্কের ওপর বড় ধাক্কার আশঙ্কায় তটস্থ ছিলেন বিজেপি নেতারা। বিরোধীরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করলেও মৌনব্রতই অবলম্বন করেছিলেন মোদী। এদিন সেই মৌনতা কাটল। মোদী এদিন মাইগভ-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে সাধারণের সঙ্গে সংযোগবৃদ্ধির অনুষ্ঠানে এসব স্বঘোষিত গোরক্ষকদের তুলোধোনা করেছেন। পাশাপাশি জানিয়ে দিয়েছেন, এসবের সঙ্গে বিজেপি বা সংঘের কোনও সম্পর্ক নেই। বিচ্ছিন্নভাবেই কিছু মানুষ গোরক্ষার নামে যা ইচ্ছে তাই করছে। এদের সমাজবিরোধী বলেই ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে খাদি ও তাঁতকে দেশের চালিকা শক্তি হিসাবে ব্যাখ্যা করে মোদী বলেন, দেশের সব মানুষ যদি তাঁদের রোজগারের ৫ শতাংশও খাদি ও তাঁতের জামাকাপড়ে খরচ করেন তবে দেশে গরিব বলে আর কিছু থাকবে না।