অজানা তথ্যের খোঁজে আগুন ছুঁতে যাচ্ছে নাসার জুনো
নাসার যান এবার একদম কাছে পৌঁছতে চলেছে আগুনের। এর আগে কখনও জুনো এমনটা করেনি। বিরল তথ্যের খোঁজ নিতেই এই ঝুঁকি নিচ্ছে সে।

বৃহস্পতিগ্রহের খোঁজখবর নিতেই নাসা একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছিল। জুনো নামে সেই মহাকাশ যান ২০১১ সালের অগাস্ট মাসে পাড়ি দেয় সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে বড় গ্রহটির দিকে। জুনো শুধু বৃহস্পতি বলেই নয়, তার উপগ্রহগুলিকেও খুব কাছ থেকে প্রদক্ষিণ করে তথ্য সংগ্রহ করে চলেছে।
এভাবেই সে এবার পৌঁছতে চলেছে বৃহস্পতির উপগ্রহ আইয়ো-র কাছে। সৌরমণ্ডলে যত গ্রহ ও উপগ্রহ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্নেয়গিরি রয়েছে এই আইয়োতে। সারাক্ষণ আইয়োতে অগ্নুৎপাত চলছে। লাভার স্রোত গড়িয়েই চলেছে। এমনই ভয়ংকর সে উপগ্রহের চরিত্র।
এবার জুনো সেই আইয়ো-র একদম কাছে পৌঁছতে চলেছে। শনিবার সে পৌঁছে যাবে আইয়ো-র সবচেয়ে কাছে। কার্যত আগুন ছুঁয়ে ফেলবে সে। আইয়ো-র মাটি থেকে মাত্র দেড় হাজার কিলোমিটার দূরত্বে পৌঁছ যাবে জুনো। সেই দূরত্ব থেকে সংগ্রহ করবে তথ্য।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, জুনো এই তথ্য সংগ্রহ করতে পারলে আইয়ো-র এই অগুন্তি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ধরণ, তার লাভার ধরণ, লাভা গড়িয়ে পড়ার চেহারা, আগ্নেয়গিরিগুলির চেহারা সম্বন্ধে জানতে পারা যাবে।
এটাও জানা যাবে যে সারাক্ষণ যে উপগ্রহে অগ্নুৎপাত হয়ে চলেছে তা কতটা উত্তপ্ত এবং কতটা উজ্জ্বল। জুনোর এই আইয়ো-র এত কাছ দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় দেওয়া তথ্য বিজ্ঞানীদের আইয়ো সম্বন্ধে বহু তথ্যের হদিশ দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিও জুনো ফের আইয়ো-র এই দেড় হাজার কিলোমিটার দূরত্ব দিয়েই উড়ে যাবে। তখনও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা