
স্ত্রীকে ছেড়ে শাশুড়িকে বিয়ে করলেন এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে পাটনায়। ললিতা-সূরজের বিয়ের পর তাঁরা সুখেই সংসার করছিলেন। বিহারে কম বয়সে বিয়েটা কোনও বড় বিষয় নয়। ২২ বছরের বর আর ১৯ বছরের স্ত্রী। কিন্তু সুখের সংসারে থাবা বসাল কঠিন অসুখ। কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত সূরজকে সামলানোটা ১৯ বছরের মেয়ের জন্য সহজ কাজ নয়। তাই মেয়েকে সাহায্য করতে জামাইয়ের বাড়িতে এসেছিলেন শাশুড়ি আশাদেবী। বছর ৪২-এর আশাদেবীই রাতদিন সেবা করে জামাইকে সুস্থ করে তোলেন। কিন্তু এই কটা দিনেই শাশুড়িতে মুগ্ধ হয়ে পড়েন সূরজ। অন্যদিকেও আগুন জ্বলেছিল একইভাবে। জামাইয়ের প্রেমে তখন হাবুডুবু দশা শাশুড়ির। দুজনেই দুজনকে চোখে হারাচ্ছেন। কেউ কাউকে একমুহুর্ত ছেড়ে থাকতে নারাজ। এই অবস্থায় সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফললেন দুজনে। হ্যাঁ, তাঁরা বিয়ে করবেন। কিন্তু এই ‘পুরাপন্থী’ সমাজ এসব মানবে কেন! অগত্যা বিয়ের আর্জি নিয়ে দুজনে হাজির পঞ্চায়েতে। এমন আবদার আগে না শুনলেও অনেক চিন্তা, আলোচনার পর পঞ্চায়েত শাশুড়ি-জামাইয়ের এই বিয়েতে মত দেয়। এরপর আর শুভ কাজে দেরি করেননি কেউ। আশাদেবী মেয়েকে সতীন হিসাবে মেনে নিতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু ললিতা রাজি হননি। অন্যদিকে দিল্লিতে কর্মরত আশাদেবীর স্বামীও এমন ঘটনায় তাজ্জব। আপাতত মেয়েকে নিয়ে দিল্লি চলে গেছেন তিনি। তবে শাশুড়ি-জামাইয়ের দাম্পত্য প্রেমের অন্ত নেই। দুজনেই একে অপরকে পেয়ে বেজায় খুশি।