
নিজের বাসভবনে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হল অরুণাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কালিখো পুলের দেহ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান আত্মহত্যাই করেছেন তিনি। বাড়ি থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। তবে একটি ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ ডায়েরিটি খতিয়ে দেখছে। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী পদ যাওয়ার পর থেকেই অবসাদে ভুগছিলেন কালিখো। তাঁদের ধারণা, সেই অবসাদ থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ৪৭ বছরের এই বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসি। গত বছর ১৮ জন বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসি বিধায়কদের একজোট করে নবম টুকি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন কালিখো পুল। অরুণাচলে জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। গত ফেব্রুয়ারিতে বিজেপির সমর্থনে রাজ্যপালের নির্দেশে সেখানে তৈরি হয় কালিখো সরকার। এদিকে নবম টুকিকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অসাংবিধানিকভাবে সরানো হয়েছে এই দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস। সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেসের দাবিকে মান্যতা দিয়ে কালিখো সরকারকে অসাংবিধানিক বলে ব্যাখ্যা করে অরুণাচলের রাজদণ্ড নবম টুকি সরকারকে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অগত্যা সাড়ে চারমাস মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর সরতে হয় কালিখো পুলকে। অরুণাচলের নতুন কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী হন প্রেমা খান্ডু। তারপর থেকেই নাকি অবসাদে ভুগছিলেন কালিখো। এদিন কালিখোর দেহ উদ্ধারের পর কালিখো পুলের সমর্থকেরা মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খান্ডুর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান। এদিন কালিখো পুলের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী।