
৫১ দিন পর অবশেষে কাশ্মীরের অধিকাংশ এলাকা থেকে উঠে গেল কার্ফু। পুলওয়ামা শহর ও শ্রমীনগরের কয়েকটি এলাকা বাদ দিলে রাজ্যের সব জায়গা থেকেই কার্ফু তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে সোমবার সকাল থেকেই ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে উপত্যকা। সরকারি দফতর থেকে ব্যাঙ্ক সবই খুলেছে। রাস্তায় গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। মানুষজনও পথে বেরিয়েছেন। গত ৯ জুলাই হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরই উত্তাল হয়ে ওঠে কাশ্মীর। রাস্তায় রাস্তায় নেমে শুরু হয় বিক্ষোভ, পাথর বৃষ্টি, অগ্নি সংযোগ। অবস্থা আয়ত্তে আনতে বিভিন্ন এলাকায় কার্ফু জারি হয়। স্তব্ধ হয়ে যায় কাশ্মীরের জনজীবন। যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে রাজ্যের অর্থনীতিতে। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কার্ফু জারির পরও বিভিন্ন এলাকা থেকে সংঘর্ষের খবর আসতে থাকে। ফলে গত ৫১ দিনেও কার্ফু তোলার ভরসা পায়নি প্রশাসন। অবশেষে তা উঠল বটে, তবে উপত্যকা জুড়ে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় বিপুল সংখ্যক সুরক্ষা বাহিনী এখনও মোতায়েন রাখা হয়েছে।