
নজর অনেকদিন ধরেই ছিল। মহিলা ও তার পুরুষ সঙ্গীর প্রত্যেকটি গতিবিধির খবর রাখছিল প্রশাসন। গত ১ মাস ধরে কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে পুলিশ খবর রাখছিল তারা কোথায় যায়, কী করে সবকিছুর ওপর। এমনকি পুলিশ এটাও জানতে পেরেছিল যে তাদের বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো হচ্ছে। এভাবে ১ মাস টানা পর্যবেক্ষণে রাখার পর অবশেষে তাদের গ্রেফতার করল পুলিশ।
পঞ্জাবে নতুন করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই এই ২ জনকে কাজে লাগানো হচ্ছিল। তবে তাদের কারা কাজে লাগাচ্ছিল তা পুলিশ পরিস্কার করে জানায়নি। তবে পঞ্জাবে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য তাদের বিদেশ থেকে যথেষ্ট টাকা সাহায্য পাঠানো হত। তাদের লক্ষ্য ছিল পঞ্জাবের কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা। তাঁদের হত্যার চক্রান্ত করছিল তারা।
পুলিশ জানাচ্ছে সুরিন্দর কউর নামে ওই মহিলার সঙ্গে তার পুরুষ সঙ্গী লখবীর সিংয়ের আলাপ হয় সোশ্যাল সাইটে। সুরিন্দর লুধিয়ানার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সের কাজ করে। লখবীর কাজ করত দুবাইতে। তারপর সেখান থেকে কাজ ছেড়ে এখন পঞ্জাবে চলে এসেছে। এদের ফেসবুকে আলাপ। তারপর ঘনিষ্ঠতা। দুজনের মধ্যে কথাবার্তা থেকেই এরা জড়িয়ে পড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা