মলদ্বারে সোনা লুকিয়ে এনেও শেষরক্ষা হল না, ধরা পড়ল ৩ জন
মলদ্বারে সোনা লুকিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা রুখে দিলেন কাস্টমস আধিকারিকরা। ধরা পড়ল ৩ সোনা পাচারকারী।
চেন্নাই : সোনা নিয়ে বিদেশ থেকে ভারতে ঢোকার হাজারো কৌশল এর আগে দেখা গেছে। নানা পন্থা ভেবে ভেবে বার করে পাচারকারীরা। যাতে বিমানবন্দরে কাস্টমসের চোখে ধুলো দেওয়া যায়। কিন্তু কাস্টমস আধিকারিকরাও ভাবতে পারেননি এমন ভাবেও সোনা পাচারের চেষ্টা হতে পারে। কিন্তু সেটাই হয়েছে।
এবার মলদ্বারেও সোনা লুকিয়ে আনতে কসুর করল না পাচারকারীরা। কিন্তু তাতেও তারা বিমানবন্দর থেকে বার হতে পারেনি। কাস্টমস আধিকারিকদের কড়া নজর এড়াতে পারেনি তারা।
চেন্নাই বিমানবন্দরে গত শনিবার দুবাই থেকে ২টি বিমান অবতরণ করে। ৩ পাচারকারী একই বিমানে আসেনি। ২টি পৃথক বিমানে হাজির হয় চেন্নাইতে।
অবতরণের পর তাদের পরীক্ষা করেন কাস্টমস আধিকারিকরা। আর সেখানেই সন্দেহ হওয়ায় তাদের ৩ জনকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জেরার মুখে এক সময় মলদ্বারে লুকিয়ে সোনা আনার কথা স্বীকার করে নেয় তারা।
৩ জনেরই মলদ্বারে বিশেষ পদ্ধতিতে সোনার পেস্ট আটকানো ছিল এমনভাবে যাতে তা কোনওভাবে বেরিয়ে না আসতে পারে। পড়ে না যায়। এছাড়াও সোনার কিছু টুকরো তাদের পকেট থেকে উদ্ধার হয়েছে। মলদ্বার থেকে সোনার পেস্টও উদ্ধার করা হয়।
সব মিলিয়ে ১.৬২ কেজি সোনা নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করছিল পাচারকারীরা। যার বাজার মূল্য ৮৩ লক্ষ টাকার ওপর। যে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছেন কাস্টমস আধিকারিকরা তারা হল মহম্মদ মুস্তফা মীরসা মারাইক্কায়ার, শৌবর আলি আইনজাই ও শেখ আবদুল্লা হাবিব আবদুল্লা। এদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
সোনা পাচার করতে কখনও মুখের মধ্যে, কখনও পেট কেটে তার মধ্যে রেখে সেলাই করে, কখনও জুতোর সোলের মধ্যে করে, কখনও পুতুলের মধ্যে করে বা এমন হাজারো উপায় বার করে পাচারকারীরা।
এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল মলদ্বারে করে সোনা আনা। তাও আবার পেস্ট আকারে। যা অবশেষে ধরা পড়ে গেল। কাস্টমস আধিকারিকরা তাদের সব পরিকল্পনা ধরে ফেললেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা