
উত্তরাখণ্ডের জঙ্গলে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। অথচ সেখানে কোনও সরকার না থাকায় কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া যাচ্ছেনা। যন্তরমন্তরের সভামঞ্চ থেকে এভাবেই অভিযোগের সুরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। শুক্রবার সকাল থেকেই কংগ্রেসের গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রার জেরে অচল হয়ে পড়ে নয়াদিল্লির একাংশ। কংগ্রেসের হাজার হাজার কর্মী, সমর্থক পদযাত্রায় সামিল হতে ভিড় জমান যন্তরমন্তরে। সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ও মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে মিছিল এগোয় সংসদ ভবনের দিকে। সংসদ ভবনের কাছে পৌঁছলে সনিয়া, রাহুল, মনমোহনকে গ্রেফতার করে পার্লামেন্ট থানার পুলিশ। যদিও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে তাঁদের নেতানেত্রীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংসদের সামনে করা ব্যারিকেডের ওপর উঠে প্রতিবাদে সামিল হন কংগ্রেস কর্মী, সমর্থকেরা। বেশ কিছুক্ষণ চলে জনতা-পুলিশ ধস্তাধস্তি। যন্তরমন্তরে বক্তব্য রাখতে উঠে সনিয়া গান্ধী আগাগোড়াই এদিন মোদী সরকারে বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। চপার কেলেঙ্কারিকে সামনে এনে বিজেপি সরকার আসলে মিথ্যা অভিযোগে কংগ্রেসের চরিত্রহননের চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন সনিয়া। পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডে সরকার ফেলে সেখানে গণতন্ত্রহরণের চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি। উত্তরাখণ্ড ও অরুণাচল প্রদেশের সরকার ফেলে দিয়ে মোদী সরকার গণতন্ত্রের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে দাবি করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। আগামী দিনে কেন্দ্র বাকি অ-বিজেপি রাজ্যগুলিতেও সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী দাবি করেন দেশে মাত্র দুটি লোকের কথা চলে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আর এঁদের বিরুদ্ধে যাঁরাই মুখ খোলার চেষ্টা করেন তাঁদেরই মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে বদনাম করার চেষ্টা করেন এঁরা।