বাঙালির প্রিয় শহর এবার পেতে চলেছে সংস্কৃত শহরের পরিচিতি
প্রাচীন শহরের নামটা গোটা বিশ্বে যথেষ্টই পরিচিত একাধিক কারণে। ভারতের এই অন্যতম প্রসিদ্ধ শহর এবার এক অন্য নামেও বিশ্বে পরিচিতি পেতে চলেছে।
কাশী বিশ্বনাথের মন্দির থেকে দশাশ্বমেধ সহ শতাধিক গঙ্গার ঘাট। শত শত মন্দির সহ দেশ বিদেশের পর্যটকে ঠাসা সারা বছর। বারাণসী শহরের প্রাচীনত্ব যেমন গোটা বিশ্বকে টেনে আনে এখানে, তেমনই এখানকার ইতিহাস।
আর সেই ইতিহাসের এক অন্যতম অঙ্গ এখানকার পঠনপাঠন। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি যেমন জগত জোড়া তেমনই এখানকার সংস্কৃত মাধ্যম স্কুলের লম্বা তালিকা গোটা দেশের মানুষকে অবাক করে।
এক বারাণসী শহরেই ছড়িয়ে আছে ১১০টি সংস্কৃত মাধ্যম স্কুল। যা ভারতের আর কোনও শহরে নেই। সেখানে সংস্কৃতই পঠনপাঠনের মূল মাধ্যম।
আর এই বিদ্যালয়গুলিতে যে ছাত্র সংখ্যা কম, এমনটাও নয়। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে আরও ২টি স্কুল। নতুন স্কুল ২টিতেও সংস্কৃতই হতে চলেছে পঠনপাঠনের মূল মাধ্যম।
উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার রাজ্যজুড়ে মোট ১৩টি সংস্কৃত মাধ্যম স্কুল খুলতে চলেছে। যার মধ্যে ২টি খোলা হচ্ছে বারাণসী শহরে।
বারাণসী শহরে সংস্কৃত ভাষায় পঠনপাঠনের এই উৎসাহ এ শহরকে বিশ্বজুড়ে সংস্কৃত শহর নামেও পরিচিতি দিতে চলেছে। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ সরকার মূলগত শিক্ষায় সংস্কৃতে আরও জোর দিতে একটি ডিরেক্টরেট তৈরি করতে চলেছে।
যা তৈরি হলে সংস্কৃত বারাণসী সহ গোটা উত্তরপ্রদেশে আরও বেশি গুরুত্ব পাবে। উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এখন ১ হাজার ১৬৪টি সংস্কৃত মাধ্যম স্কুল রয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা