দেব দীপাবলিতে রাতকে দিন করবে মাটির প্রদীপ
দীপাবলি শেষ হয়েছে। এবার দেব দীপাবলির পালা। এই দেব দীপাবলি অবশ্য দেশজুড়ে সর্বত্র পালিত হয়না। তবে সঙ্গমে হয়। সেখানেই এবার বিশেষ আয়োজন।

দেব দীপাবলি আগামী ১৯ নভেম্বর, শুক্রবার। ওইদিন আবার গুরু নানকের জন্মবার্ষিকীও। এই দেব দীপাবলি প্রতিবছরই ধুমধাম করে পালিত হয় প্রয়াগরাজের সঙ্গমে। গঙ্গা ও যমুনা নদীর সঙ্গমস্থলে বহু পুণ্যার্থী হাজির হন ওইদিন। দীপাবলি হয় অমাবস্যার দিন। আর তার ঠিক ১৫ দিন পর কার্তিক পূর্ণিমার দিন পালিত হয় দেব দীপাবলি।
সঙ্গমে স্নান যে কোনও ভারতীয়ের কাছেই এক কাঙ্ক্ষিত পুণ্যার্জন। সেই সঙ্গম দেব দীপাবলি উপলক্ষে সন্ধে নামলেই সেজে উঠছে। ঠিক যেমনটা দীপাবলির দিন সেজে উঠেছিল অযোধ্যা নগরী।
দীপাবলিতে অযোধ্যা সেজেছিল ১২ লক্ষ মাটির প্রদীপের আলোয়। যার মধ্যে ৯ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয়েছিল সরযূ নদীর ধার। বিশ্বরেকর্ডও করে সেই প্রদীপের আলো। এবার সেই পথে হেঁটে সঙ্গমও সাজতে চলেছে লক্ষ লক্ষ প্রদীপের আলোয়।
দেব দীপাবলির দিন সঙ্গমস্থলকে সাজানো হতে চলেছে ৫ লক্ষ মাটির প্রদীপে। এবার শুধু প্রদীপ দিয়ে সাজানো বলেই নয়, সঙ্গমে দেব দীপাবলি পালিত হবে আগের বছরের চেয়েও অনেক বেশি ধুমধাম করে।
ওইদিন উপস্থিত থাকবেন প্রয়াগরাজের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বরা। থাকবেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষজন। জন সমাগম হলেও সেখানে করোনাবিধি অবশ্য অক্ষরে অক্ষরে পালিত হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
মাটির প্রদীপের আলো ছাড়াও এবার গঙ্গার পাড়ে ওইদিন যে আরতি হবে তা দেখার জন্য ব্যবস্থা হচ্ছে অনেক নৌকার। সেই নৌকায় চেপে গঙ্গার বুক থেকে পারে হওয়া আরতি চাক্ষুষ করতে পারবেন সকলে। সেভাবেই নৌকার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পীদের নিয়ে আসা হচ্ছে রাতের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে আরও ঝলমলে করে তুলতে। এছাড়া বালি শিল্প দিয়ে সঙ্গমের নানা অংশকে সাজিয়ে তোলা হবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা