প্রাতরাশ খেয়ে হাসপাতালে ৫৬ ছাত্র
প্রাতরাশ প্রত্যেকদিনের মতই খেতে বসেছিল তারা। তারিয়ে উপভোগও করছিল সুস্বাদু খাবার। কিন্তু তার পরেই বিপত্তি। ৫৬ জন ছাত্রকে নিয়ে ছুটতে হল হাসপাতালে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিনের মতই তাদের প্রাতরাশ পরিবেশন করা হয়েছিল। আবাসিক স্কুল হওয়ায় সেখানে থেকেই পড়াশোনা করতে হয় ছাত্রদের। যাকে অনেকে বোর্ডিং স্কুল বলে থাকেন।
প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবারও ছাত্ররা প্রাতরাশের টেবিলে হাজির হয়েছিল। মূলত অষ্টম ও নবম শ্রেণির ছাত্ররা টেবিলে হাজির হয়।
তাদের উত্তপম পরিবেশন করা হয়। সুস্বাদু এই খাবার দক্ষিণ ভারতে যথেষ্ট জনপ্রিয়। ফলে তা বেশ তারিয়েই উপভোগ করে ছাত্ররা।
বিপত্তিটা ঘটে খাবার খাওয়ার পরে। খাবার শেষ করার পর এক এক করে ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে। তাদের নিয়ে হুলস্থূল পড়ে যায়।
স্কুল কর্তৃপক্ষ ঝুঁকি না নিয়ে তাদের এক এক করে হাসপাতালে পাঠাতে থাকেন। এমন করে ৫৬ জন ছাত্র হাসপাতালে ভর্তি হয়। হৈহৈ পড়ে যায় গোটা এলাকা জুড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বিশ্বরাধ্যা বিদ্যাবর্ধকা রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে।

কেন এমনটা হল? তার কারণ খুঁজতে গিয়ে উত্তপম রান্নার বাসনে পাওয়া যায় এই ভয়ংকর কাণ্ডের সূত্র। দেখা যায় যে সেখানে খাবারের মধ্যে রয়েছে একটি সাপ।
মরা সাপটিকে খাবারের মধ্যে থেকে বার করে আনা হয়। এই সাপই রান্নার সঙ্গে মিশে ৫৬টি ছাত্রকে হাসপাতালে পাঠিয়ে ছেড়েছে।
ঘটনার পর ওই আবাসিক স্কুলে আতঙ্কের পরিবেশ রয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি সব ছাত্র আপাতত চিকিৎসাধীন তবে বিপদমুক্ত বলে জানা গেছে। কীভাবে সাপটি এল ও কাদের গাফিলতিতে এই কাণ্ড, সবদিক তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা