বৌভাতের সন্ধেয় বৃন্দাবনের আবহ, রাধাকৃষ্ণ সেজে অতিথিদের সামনে বরকনে
বৌভাতের সন্ধেটা ঝলমলে হল বটে। তবে যে হলে রিসেপশন অনুষ্ঠিত হল সেই হলটি হয়ে উঠল বৃন্দাবন। আর বরকনে সামনে এলেন রাধাকৃষ্ণের সাজে।

বৌভাতের সন্ধে বলে কথা। যে কারও জীবনে এটা একটা বিশেষ সন্ধে। ২ পরিবার মেতে ওঠে আনন্দে। আসেন অতিথিরা। বর্ণময় হয়ে ওঠে ঝলমলে সন্ধ্যা।
বরকনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকেন বা বসে থাকেন। অতিথিরা একে একে এসে দেখা তাঁদের শুভেচ্ছা জানান। হাতে তুলে দেন উপহার। ওঠে ছবি।
এই দিনটার কথা ভেবে অনেক আগে থেকে পোশাক তৈরি করান নতুন জীবনে পা দিতে চলা সদ্যবিবাহিত যুগল। আর এখানেই চমক দিলেন মুম্বইয়ের ২ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। যদিও তাঁরা কর্মসূত্রে মুম্বইতে থাকলেও বিয়ে করেছেন প্রয়াগরাজে।
বৌভাতের ঝলমলে সন্ধেয় অতিথিরা এসে কিছুটা অবাক হয়ে যান। অতিথি আপ্যায়নের জন্য নেওয়া জায়গাটিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল বৃন্দাবনের আদলে।
কোনও চটুল হিন্দি গান বা সানাই বাজছিল না। বাজছিল শুধু রাধাকৃষ্ণের ভজন। বর ও কনের পরিবারের সকলের পরনে ছিল অনেকটা পিছিয়ে সেই রাধাকৃষ্ণের যুগের পোশাক। আর বরকনে সেজেছিলেন রাধাকৃষ্ণের সাজে।
বর অভিষেকের পরনে ছিল লাল ধুতি, মাথায় ছিল ছিল হলুদ কাপড়ের মুকুট। যাতে একটি ময়ূরের পেখম গোঁজা ছিল। হাতে ছিল বাঁশি। উত্তরীয় ছিল হলুদ রঙের। গলায় ঝুলছিল মুক্তোর নেকলেস। অন্যদিকে একদম রাধার সাজে সেজেছিলেন কনে পূজা।
এই থিম বৌভাতের আয়োজন মাথায় এসেছিল অভিষেকের। ২ পরিবার তাঁর এই ভাবনাকে সম্মান দিয়ে সেভাবেই সব আয়োজন করে। যা এখন সকলের মুখে মুখে ঘুরছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা