এ মন্দিরে নিজেই আসে গঙ্গা, জল ঢুকে স্নান করিয়ে দিয়ে যায় হনুমানজিকে
একে এক চমৎকার হিসাবেই নেন সকলে। এখানে বিগ্রহকে স্নান করাতে গঙ্গার জল তুলে আনতে হয়না। বরং গঙ্গা নিজেই এসে হনুমানজিকে স্নান করিয়ে দিয়ে যায়।

সাধারণত মন্দিরের গা দিয়ে বা কাছ দিয়ে গঙ্গা বয়ে গেলে সেখান থেকে গঙ্গাজল এনে পুজো বা বিগ্রহকে স্নান করানো হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে কাউকে গিয়ে নদী থেকে জল তুলে আনতে হয়।
এই মন্দিরে কিন্তু তা হয়না। বড়ে হনুমান মন্দিরে গঙ্গা নিজেই হাজির হয় হনুমানজির বিগ্রহকে স্নান করাতে। শুধু বিগ্রহ বলেই নয়, গোটা মন্দিরকেই গঙ্গার জল এসে ধুয়ে দিয়ে যায়।
গঙ্গার জল এসে বিগ্রহকে স্নান করানো বা মন্দির ধুয়ে দিয়ে যাওয়ার পরই মন্দিরের রীতি মেনে পুরোহিত আরতি শুরু করে দেন। হয় রুদ্রাভিষেক। সমবেত ভক্তরা জয় বজরঙ্গবলী বলে ধ্বনি দিতে থাকেন।
গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঠিক এভাবেই প্রয়াজরাজে গঙ্গার ধারের এই মন্দির গঙ্গার জলে ধুয়ে গেছে। এ মন্দিরে তারপরই ভক্তের ঢল নামে।
মন্দিরের মধ্যে যখন গঙ্গা প্রবেশ করে তখন গঙ্গার জল এতটাই বেড়ে মন্দিরের ভিতরে ঢুকতে থাকে। এখানে বিগ্রহ একটু হেলানো। সেই হেলানো বিগ্রহ গঙ্গার জলে ডুবে যায়।
এখন প্রয়াগরাজে গঙ্গা ও যমুনা ফুঁসছে। জলে টইটম্বুর নদী। ২ কুল ছাপিয়ে প্রয়াগরাজের অনেক নিচু জায়গায় বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে।
এর মধ্যেই কোটা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হয়েছে। ২ নদীর জলেই এখন ভাসছে পবিত্র শহর। বর্ষায় এই ছবি অবশ্য প্রতিবছরই প্রায় দেখা যায়। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা