অক্টোবরেই রাতভর প্রবল তুষারপাত, পুরু বরফের চাদরে মোটা টাকা লাভের হাতছানি
সারা রাত ধরে প্রবল তুষারপাতে সাদা বরফের চাদরে ঢেকে গেল হিমালয়ের কোলের অনেক জায়গা। ঘুম ভেঙে পুরু বরফের চাদরে মোটা মুনাফা দেখছেন অনেকে।

অক্টোবরে এমন প্রবল তুষারপাত বড় একটা দেখা যায়না। এর আগেই জম্মু কাশ্মীর মরসুমের প্রথম তুষারপাত দেখেছিল। এবার মরসুমের সবচেয়ে বেশি তুষারপাত দেখল হিমাচল প্রদেশ।
অক্টোবরের মাঝামাঝিও পার হয়নি। এর মধ্যেই এমন প্রবল তুষারপাত যেমন চমক দিয়েছে, তেমনই অনেকের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। ছবির চেয়েও সুন্দর হয়ে গেছে লাহুল স্পিতি উপত্যকা। চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে হিমালয়ের অপরূপ সৌন্দর্যে।
কাজা, লোসার, চিচামের মত জায়গাগুলি এতটাই সুন্দর হয়ে উঠেছে যে চোখ ফেরানো যাচ্ছেনা। রোটাং পাসও বরফে সাদা হয়ে গেছে। চিন সীমান্তের কাছে চিটকুল একটি পর্যটন কেন্দ্র। যা রাতভর তুষারপাতে সুন্দরী হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে ধরমশালাকে ঘিরে থাকা রাজকীয় ধৌলাধর পাহাড়সারি সাদা বরফে ঢেকে এতটাই সুন্দর হয়ে উঠেছে যে বহু মানুষ ছুটি নিয়ে এই রূপ চর্মচক্ষে দেখে আসতে চাইছেন।
এ সময়ে এমন এক তুষারপাত কিন্তু স্থানীয় হোটেল মালিকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তাঁরা হোটেল গুছিয়ে কোমর কষছেন পর্যটকদের আহ্বান জানানোর জন্য।
সামনেই দিওয়ালী আসছে। সেই ছুটিতে বহু মানুষ তো ছুটি কাটাতে এখানে আসতেই পারেন। তবে তার আগেই এমন তুষারপাতের উপহারে প্রকৃতি যেন তাঁদের আরও আগেই পর্যটকদের আগমন নিশ্চিত করে দিয়েছে।
হোটেল মালিকদের আশা এই তুষারপাতের খবরে বহু মানুষ আশপাশ থেকে এখানে চলে আসবেন হিমালয়ের এই চোখ ঝলসানো রূপ দেখতে। যা তাঁদের জন্য লক্ষ্মীলাভের রাস্তা প্রশস্ত করবে।
হিমাচলের পাহাড়ি এলাকাগুলি সাদা বরফের চাদরে ঢেকে যাওয়ার পর সেখানে পারদও এক ধাক্কায় অনেকটা নেমে গেছে। অন্যদিকে পাহাড়ে যখন এমন প্রবল তুষারপাত তখন নিচু এলাকাগুলিতে প্রবল বৃষ্টি নেমেছে।
সিমলা, মানালির মত জায়গায় ঝেঁপে বৃষ্টি হচ্ছে। প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশের পাহাড়ি এলাকাতেও প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত সিকিম। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা