অভিনব চাষের ভাবনায় লাখ টাকা মাইনের শিক্ষকতা ছাড়লেন যুবক
তিনি বিএড করেছেন। তাঁর কাছে শিক্ষাগ্রহণ করে তাঁর অনেক ছাত্র এখন সরকারি চাকরি করেন। কিন্তু অভিনব কৃষিকাজের ভাবনা শিক্ষকতা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে গেল ওই যুবককে।

তিনি বিএড করে শিক্ষকতার পেশাকে বেছে নেন। যোগ দেন একটি স্কুলে। বেসরকারি সেই স্কুলে তাঁর মাইনে ১ লক্ষ টাকার বেশি ছিল। তাঁর কাছে পড়াশোনা করে অনেক ছাত্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হন। তাঁদের অনেকে এখন সরকারি চাকরি করছেন।
তিনি নিজেও শিক্ষকতাকেই মন প্রাণ ঢেলে ভালবেসেছিলেন। শুধু চেয়েছিলেন বেসরকারি নয়, কোনও সরকারি স্কুলে পড়াতে। সেখানে চাকরি করতে। এজন্য বেশ কয়েকটি পরীক্ষাতেও বসেন তিনি।
যাঁর কাছে শিখে অনেক ছাত্র সরকারি চাকরি করছেন, তিনি নিজে কিন্তু সরকারি স্কুলের চাকরির পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি। এরমধ্যেই তাঁর অন্য একটি ক্ষেত্রে বিশেষ উৎসাহ জাগে।
হরিয়ানার মির্চ গ্রামের বাসিন্দা প্রবীণ সাঙ্গওয়ান মাশরুম চাষ সম্বন্ধে জানতে পারেন। বাঙালিরা যাকে কথা বলার সময় ব্যাঙের ছাতা বা ছাতু বলে থাকেন।
এই মাশরুম চাষ সম্বন্ধে জানার পর প্রবীণ মাশরুম চাষ শুরুও করেন। এই স্বাস্থ্যকর খাদ্যটির চাষ কীভাবে করতে হয় সে সম্বন্ধে প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেন।
মাশরুম চাষ করে লাভের মুখ দেখতে শুরু করার পর প্রবীণ স্থির করেন তিনি মাশরুম চাষ আরও বাড়াবেন। তবে মাশরুমের জন্য যথেষ্ট সময়ও তাঁকে ব্যয় করতে হবে।
তাই প্রবীণ তাঁর লক্ষাধিক টাকা মাইনের চাকরি ছেড়ে দেন। গুরুগ্রামের স্কুলের চাকরি ছেড়ে এখন পুরোদমে মাশরুম চাষে মন দিয়েছেন প্রবীণ। তাঁর লক্ষ্য ব্যবসাকে কোটি টাকার ব্যবসায় রূপান্তরিত করা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা