
নির্ভয়া কাণ্ডের পরেও দিল্লি রয়ে গেল দিল্লিতেই। কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক প্রকাশিত একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে দিল্লি কোনোভাবেই মহিলাদের জন্য সুরক্ষিত নয়। সুরক্ষার ব্যাপারে রীতিমত হাতুড়ির ঘা পড়েছে খোদ রাজধানীর মুখে। তলানিতে ঠেকা দিল্লির মহিলা সুরক্ষা স্থান পেয়েছে তালিকার ২ নম্বরে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দিল্লির পাশাপাশি এতটাই লজ্জাজনক পরিস্থিতি ঝাড়খণ্ড এবং মধ্যপ্রদেশের।
১ নম্বরে রয়েছে ঝাড়খণ্ড ও ৩ নম্বরে মধ্যপ্রদেশ। একটি এনজিও-র করা সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী মহিলা নিরাপত্তার দিক থেকে গোয়া প্রথম স্থানাধিকারী। সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্যের মাপকাঠিতে যথাক্রমে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও অষ্টম। ফলে একা কোনও মহিলা যদি ঘুরতে যেতে চান তাহলে তিনি এই রিপোর্ট দেখে গোয়াকে ঘুরতে যাওয়ার গন্তব্য হিসাবে বেছে নিতেই পারেন।
সমীক্ষায় বিহারের জেন্ডার ভালনারেবিলিটি ইনডেক্স বা জিভিআই স্কোর অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, নীতীশ কুমারের রাজ্যে স্বাস্থ্য থকে শিক্ষা সবটাই নিম্নমানের। বাল্যবিবাহ প্রথা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বিহারে ৩৯ শতাংশের বেশি মেয়েদের ২১ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে এবং ১২ শতাংশের কাছাকাছি সংখ্যক মেয়েরা মা হচ্ছেন ১৯ বছরের আগেই।