
শনিবার নিয়ে একটানা ২৯ দিন স্তব্ধ জম্মু কাশ্মীরের স্বাভাবিক জনজীবন। শনিবারও অনন্তনাগ, সোপিয়ান সহ বেশ কিছু জায়গায় সুরক্ষা বাহিনীর ওপর পাথর বৃষ্টির ঘটনা ঘটে। অবস্থা আয়ত্তে আনতে পাল্টা লাঠিচার্জ করে সুরক্ষা বাহিনী। অনন্তনাগে কার্ফু থাকা সত্ত্বেও মিছিল বার করে বিক্ষোভকারীরা। সেখান থেকেই পাথর ছোঁড়া হয়। এরপরই সুরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয় বিক্ষোভকারীদের। ঘটনায় ২১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে সোপিয়ানের হারপোরা এলাকা থেকে। এখানেও কার্ফু অমান্য করে মিছিল বার হয়। ছোঁড়া হয় পাথর। পাল্টা আঘাত করে সুরক্ষা বাহিনী। বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের নেতা বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর থেকই উত্তপ্ত কাশ্মীর। অবস্থা আয়ত্তে আনতে কার্ফু জারি করে প্রশাসন। এদিকে কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে ক্রমাগত উস্কানি দিয়ে চলেছে পাকিস্তান। যা নিয়ে বিব্রত ভারত সরকারও।