
দিল্লির সুলতানি আমলের শাসক আলাউদ্দিন খিলজির চরিত্রকে কদর্যভাবে দেখানোয় ‘পদ্মাবত’ পাকিস্তান সেন্সর বোর্ডে কাটছাঁট ছাড়াই ছাড়পত্র পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন প্রযোজক সংস্থা থেকে পরিচালক। কিন্তু এদিন যখন দেশের একটা বড় অংশে পদ্মাবতের প্রদর্শন বন্ধ করার জন্য করণী সেনা থেকে রাজপুত সংগঠনগুলির তাণ্ডব চলছে, তখন পাক সেন্সর বোর্ড কোনও কাটছাঁট ছাড়াই মুক্তির ছাড়পত্র দিল পদ্মাবতকে।
সঞ্জয় লীলা বনশালির এই সিনেমাকে ‘ইউ’ সার্টিফিকেট দিয়েছে পাক সেন্সর বোর্ড। ফলে প্রতিবেশি পাকিস্তানে এই সিনেমা সহজ ও নিশ্চিন্ত উপায়েই মুক্তি পেতে চলেছে। যদিও এই সিনেমার ঐতিহাসিক তথ্য পরীক্ষার জন্য পাক সেন্সর বোর্ড ছাড়পত্র দেওয়ার আগে ইসলামাবাদের কায়েদ এ আজম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাহায্য নেয়। পরে কোনও কাটছাঁট ছাড়াই এদিন মুক্তি দেয় পদ্মাবতকে।