সেনাবাহিনীর কড়া হুমকির মুখে ইমরান খান
এবার দেশের সেনাবাহিনীর কাছ থেকেই হুমকি এল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে উদ্দেশ্য। সেনাবাহিনী তাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তাঁর পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদরা। এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী চৌধুরি ফারহাদ হুসেন। পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।
সেনার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যেন সেনাবাহিনীকে না জড়ানো হয়। কারণ অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করাটা সেনাবাহিনীর দায়িত্বের ভিতর পড়ছে না।
সম্প্রতি পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী চৌধুরী ফারহাদ সেনাবাহিনীর উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, সেনা যেন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে নিষ্ক্রিয় না থাকে। সেনার হাতে সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে ক্ষমতাসীন থাকা সরকারের পাশে থাকার। সেই অনুযায়ী সেনার উচিত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশে থাকা। তবে সেনাবাহিনীর তরফে সেই সম্ভাবনা পুরোপুরিভাবেই খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের রাজনীতি ক্রমেই ঘোরালো হয়ে উঠেছে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্দেশে পুলিশ জমিয়ত উলেমা-এ ইসলাম পাকিস্তানের সাংসদদের সংসদ চত্বর থেকে বলপূর্বক গ্রেফতার করার চেষ্টা চালানোয়। সংসদ চত্বরে প্রতিবাদ অবস্থানে বসেছিলেন ওই সাংসদরা।
পাকিস্তানের সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার তোড়জোড় করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিরোধী রাজনৈতিক দল জেডিইউআই-এর সুপ্রিমো মৌলানা ফালুর রেহমানের দাবি অনাস্থা প্রস্তাবে যাতে বিরোধী সাংসদরা যোগ দিতে না পারেন সেজন্যই ইমরান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদদের অপহরণের চেষ্টা করছেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা