
রাজ্যসভার ৫৭টি আসনের জন্য নির্বাচন হল শনিবার। এরমধ্যে উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক সহ ৭টি রাজ্যে ২৭টি আসনের জন্য নির্বাচন হয়। অন্যান্য রাজ্য মিলিয়ে ৩০ টি আসনের জন্য নির্বাচন হয়। রাজ্যসভায় সংখ্যালঘু শাসকদল বিজেপি। ফলে কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলের চাপের মুখে অনেক ক্ষেত্রেই বিল পাস থেকে অন্যান্য সম্মতি আদায়ে সমস্যায় পড়তে হয় বিজেপিকে। তাই তাদের এবার লক্ষ্য ছিল কংগ্রেস যেন বেশি আসন না পেতে পারে। এজন্য বেশ কয়েকজন নির্দল প্রার্থীকেও বিজেপি এবার সমর্থন করেছে। এছাড়া উত্তর প্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যে ঘোড়া কেনা বেচা বা ক্রস ভোটিংয়ে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ফলাফলে যা দেখা যাচ্ছে তাতে বিজেপি কিছুটা আসন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। তবে সংখ্যার নিরিখে লোকসভার মত দাপট বজায় রাখার জায়গা ছুঁতে পারেনি। উত্তরপ্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে সমাজবাদী পার্টি ৭টিতে, বহুজন সমাজ পার্টি ২টিতে, বিজেপি ১টিতে ও কংগ্রেস ১টিতে জয়ী হয়েছে। কংগ্রেসের হয়ে ১টি আসন জেতেন কপিল সিব্বল। কর্ণাটকে কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন জয়রাম রমেশ, অস্কার ফার্নান্ডেজ ও কেসি রামমূর্তি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে ১টি আসন জিতেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। রাজস্থানের ৪টি আসনই গেছে বিজেপির দখলে। যারমধ্যে কেন্দ্রের ২ মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু ও ওপি মাথুর রয়েছেন। হরিয়ানা থেকে বিজেপি সমর্থিত নির্দল হিসাবে জয়ী হয়েছেন মিডিয়া ব্যারন সুভাষ চন্দ্র। দ্বিতীয় সিটটিও বিজেপির দখলে গেলেও হরিয়ানার ভোটটি নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠেছে। কংগ্রেসের ১৪জন বিধায়কের ভোট বাতিল করার পরই বিতর্ক চরমে ওঠে। মধ্যপ্রদেশের ৩টি আসনের মধ্যে ২টি জিতেছে বিজেপি। অন্যটি গেছে কংগ্রেস সমর্থিত নির্দলের পকেটে। এখান থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে জেতেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এম জে আকবর। ঝাড়খণ্ড থেকে জিতেছেন বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নাকভি। উত্তরাখণ্ডের একমাত্র আসনটি জিতেছেন কংগ্রেসের প্রদীপ টামটা।