হেনস্তার শিকার হল লক্ষ্মী ছেলের মত কোলে চড়ে আদর খাওয়া কুমির
কুমির নামটা শুনলেই রক্ত জল হয়ে যায়। কিন্তু এ বিশ্বে অনেক কিছুই অবাক করা ঘটে। যেমন এই কুমিরটি লক্ষ্মী ছেলের মত কোলে চড়ে ঘোরে। আদরও খায়।

অনেক পশুপাখি পোষ মানে। কিন্তু কুমিরকে পোষ মানানোর শখ বড় একটা কারও থাকেনা। কুমিরও যে পোষ মানায় উৎসাহী এমনটা বড় একটা শোনা যায়না। বরং তাদের থেকে সবসময়ই একটা প্রাণহানির ঝুঁকি থেকে যায়। কিন্তু এ কুমির কুমিরকুলে সত্যিই বিরল। এ নেহাতই শান্ত এক কুমির। যার গলায় বকলস বেঁধে তাকে নিয়ে পোষা কুকুরের মত ঘোরেন তার মালিক।
এতটাই লক্ষ্মী ছেলে এই কুমিরটি যে তাকে নিয়ে রাস্তায় বার হলে অনেক পথচলতি মানুষ, ছোটরা কুমিরটির গায়ে হাত বুলিয়ে যায়, তাকে আদর করে।
আর সে আদর চুপটি করে উপভোগ করে কুমির। এমনকি তাকে কোলে তুলে নিয়েও তার মালিক রাস্তায় ঘোরেন। আর সে শান্ত হয়ে কাঁধে মাথা রেখে শিশুদের মত ঘুরে বেড়ায় কোলে চড়ে।
পেনসিলভানিয়ার বাসিন্দা ওই ব্যক্তি বছর সাতেক আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হন। তাঁকে কেমোথেরাপি দিতে হয়। সেই কঠিন দিনগুলোয় তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় এই কুমিরের। তারপর থেকে কুমিরটি তাঁর কাছেই থেকে গেছে।
একটি ম্যাচ দেখতে যাওয়ায় সেই শান্ত কুমিরকে তার মালিকের সঙ্গে গেটেই আটকে দিলেন গার্ড। কুমির নিয়ে প্রবেশ করা যাবেনা, বলে জানিয়ে দেন তিনি।
অনেক চেষ্টা করেও গার্ডকে এটা বোঝানো সম্ভব হয়নি যে ওই কুমিরটি কাউকে কিছু করবেনা। ফলে গেটের মুখেই বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে অগত্যা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ফিরে আসতে হয় কুমিরকে। কার্যত কিছুটা হেনস্তাই হতে হল এমন এক শান্ত বন্ধু স্বভাবের কুমিরকে।