
এসএসকেএমে শিশুর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ। অভিযোগ ঘিরে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ইন্টার্নদের বচসা। পরে ইন্টার্নদের মারধরের অভিযোগ। আর সেই অভিযোগেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এসএসকেএম অচল করে দিলেন ইন্টার্ন, জুনিয়র ডাক্তার ও হাউস স্টাফরা। তাঁদের কর্মবিরতির জেরে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকরা হতে হয় রোগী ও রোগীর পরিবারকে। ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাতে। শাসনের গোলাবাড়ি এলাকা থেকে ৬ বছরের এক শিশুকে নিয়ে এসএসকেএমে হাজির হয় তার পরিবার। গুরুতর আহত ওই শিশুকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ সেখানে শিশুটির চিকিৎসা না করে দীর্ঘক্ষণ তাকে ফেলে রাখা হয়। কেন শিশুটিকে দ্রুত পরীক্ষার দাবিতে ইন্টার্নদের সঙ্গে পরিবারের লোকজনের ঝগড়া শুরু হয়। জুনিয়র ডাক্তার ও ইন্টার্নদের দাবি সেই সময়ে আচমকাই তাদের ওপর চড়াও হন শিশুর পরিবারের লোকজন। কয়েকজনকে মারধরও করা হয়। পরে ভবানীপুর থানায় পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ইন্টার্নরা। এরপরই নিরাপত্তার দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেন তাঁরা। অন্দোলনরত ইন্টার্ন, জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি তাদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা প্রায়শই হয়। ঘটনা ঘটলে তাদের সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়। কয়েকদিনের পর যে কে সেই। তাদের উপযুক্ত সুরক্ষার দাবিতে কর্মবিরতির পাশাপাশি তারা হাসপাতালের ডিরেক্টরকে ঘেরাও করে রাখেন। এদিকে হাসপাতালে এই অচলাবস্থাকে ভালো চোখে নেয়নি রাজ্য সরকার। যেসব ইন্টার্ন থেকে জুনিয়র ডাক্তার কর্মবিরতিতে যোগ দিয়েছেন তাঁদের নামের তালিকা চেয়ে পাঠান রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত রোগীদের চরম দুর্ভোগের পর অবশেষে ওঠে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি। কাজে যোগ দেন ইন্টার্ন ও জুনিয়র ডাক্তাররা।