
বড়িশার বিবেকানন্দ উইমেনস কলেজে উপাচার্য হেনস্থা ও ছাত্রী তাণ্ডবের ঘটনায় তিনজন বহিরাগতের দিকে আঙুল তুলল কলেজ কর্তৃপক্ষ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এদের চিহ্নত করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন কলেজের অধ্যক্ষা। গত মঙ্গলবার যে দুটি মেয়েকে বিক্ষোভে নেতৃত্বের ভূমিকায় দেখতে পাওয়া গেছে তাদের কেউই তাঁদের ছাত্রী নন বলে কলেজের পক্ষে দাবি করা হয়েছে। এক যুবকও বিক্ষোভ চলাকালীন উপাচার্যের গাড়ি আটকে মোবাইলে ছবি তুলছিলেন। তাঁকে মানা করা হলে তিনি তৃণমূলের সৈনিক বলে নিজেকে পরিচয় দেন বলে কলেজের তরফে দাবি করা হয়েছে। অধ্যক্ষার দাবি তিনি কয়েকজন ছাত্রীর পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা সেখান থেকে সরে যান। ফলে বরিহাগত তত্ত্ব আরও জোড়াল হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, অনেকদিন ধরেই এই কলেজে ছাত্র সংগঠন বানানোর জন্য বাইরে থেকে চাপ আসছিল। মঙ্গলবার ফর্ম ফিলাপের দাবি নিয়ে বিক্ষোভকে সামনে রেখে আসলে কলেজে ছাত্র সংগঠন বানানোর চেষ্টাই প্রবল হয়েছে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবারের সম্পূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ কলেজের তরফ থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান হয়েছে।