মাইনাস ২৯-এ নামল পারদ, সঙ্গে চলছে হাড় কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ
দেশের উত্তরাংশ যে অতি প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার দেশের একটি অংশে পারদ মাইনাস ২৯-এ নেমে গেল।

দেশের উত্তর ভাগ কাঁপছে। ১ দিন ২ দিন নয়, টানা প্রবল ঠান্ডায় কাবু দিল্লি, হরিয়ানা, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ সহ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ। অনেক জায়গায় ঠান্ডা পুরনো রেকর্ড সব ভেঙে দিয়েছে।
খোদ দিল্লি টানা ১ ডিগ্রির ঘরে ঘুরপাক খাচ্ছে। ঠান্ডায় স্তব্ধ হয়ে গেছে জনজীবন। শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এই সময় ঠান্ডা আরও প্রবল চেহারা নিয়েছে। এর মধ্যেই ভারতের একটি অংশে পারদ নেমে গেল মাইনাস ২৯ ডিগ্রিতে।
বিশ্বের অন্যতম শীতল স্থানগুলিতে পারদ যে ডিগ্রিতে ঘুরপাক খায় প্রায় সেখানে পৌঁছতে বসেছে ভারতের একটি স্থান। এটাও একটা রেকর্ড গড়েছে।
খতিয়ান বলছে দ্রাস-এর পারদ নেমে গেছে মাইনাস ২৯ ডিগ্রিতে। চারিদিক সাদা বরফে ঢাকা পড়ে আছে। জনজীবন প্রায় স্তব্ধ।
এখন চলছে স্থানীয়দের ভাষায় চিল্লাই কলন। যা শীতের সবচেয়ে কঠিন সময়। ফলে ঠান্ডা যে থাকবে তা বলাই বাহুল্য। তবে মাইনাস ২৯!
দ্রাসের যখন এমন অবস্থা তখন কার্গিল মাইনাস ২০.৯ ডিগ্রিতে কাঁপছে। লেহ-তে পারদ নেমেছে মাইনাস ১৫ ডিগ্রিতে। পহেলগাম, গুলমার্গ সবই মাইনাস ১১ ডিগ্রিতে শীতে কাবু। শ্রীনগরে রয়েছে মাইনাস ২.৭ ডিগ্রি। সব মিলিয়ে এক অতি প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে কাশ্মীর। পারদ আরও নামতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে রাজস্থানের চুরুতে পারদ ০ ডিগ্রির নিচে চলে গেছে। রাজস্থানের অনেক জায়গার পরিস্থিতি প্রায় একই রকম। সেইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ সহ গোটা উত্তর ভারত ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া। রোদের দেখা প্রায় মিলছেই না। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা