
শুক্রবার রাতে তাঁকে নজরবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। শনিবার সকাল থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে মোতায়েন হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। সবসময় একজন ম্যাজিস্ট্রেট পদমর্যাদার আধিকারিক ও এক ভিডিওগ্রাফার সঙ্গে সঙ্গে ঘুরতে থাকেন। কমিশনের নির্দেশ মেনে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের ছবিও তোলা হয়। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডলের দৈনন্দিন কাজকর্মে এই নজরবন্দি দশা তেমন কোনও প্রভাব ফেলতে পারল না। রাত পোহালেই ভোট। তাই শনিবার সকালেই তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়েন বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি। যান বিভিন্ন পার্টি অফিসে। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। এদিকে এদিন ফের অনুব্রত মণ্ডলকে শো-কজ করে কমিশন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, লকেট চট্টোপাধ্যায়দের কটূক্তি করার অভিযোগে তাঁকে শো-কজ করে কমিশন। যার জবাব তাঁর কাছ থেকে বিকেলের মধ্যেই চাওয়া হয়। বিকেলের দিকে রামপুরহাটে অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জ করেন সঙ্গে থাকা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি এভাবে ঘুরতে পারেন না বলেও অনুব্রতকে জানান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। এরপরই পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন অনুব্রত। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে লিখিত ফরমান দেখাতে বলেন তিনি। এদিন দিনভর তাঁর এলাকা চষে বেড়িয়েছেন অনুব্রত।