
ধর্ষণের মামলা তুলতে নির্যাতিতার ওপর চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠল গ্রামের মোড়ল সহ গ্রামবাসীদের একটি অংশের বিরুদ্ধে। সালিশি সভা করে গ্রাম থেকে এক ঘরে করে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও গ্রামের মোড়লের বিরুদ্ধে উঠে এসেছে। আরও অভিযোগ, গত রবিবার রাত থেকে ওই নির্যাতিতার পরিবারে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষের সাথে ওই পরিবারকে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। কথা বললেই জরিমানা স্বরূপ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হতে পারে পলে শাসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই সমস্ত অভিযোগের তির বীরভূমের মহম্মদবাজারের দুমবনী গ্রামের মোড়ল বুদি টুডুর দিকে। নিজেদের অসহায় অবস্থার কথা জানানোর জন্য নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
মাস তিনেক আগে বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার চরিচা গ্রামে এক আদিবাসী মহিলাকে ৩ জন যুবক মিলে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ৩ জন যুবককে গ্রেফতার করে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। কিন্তু নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ, গত রবিবার তাঁদের গ্রামে একটি সালিশি সভা বসে। এরপরেই নির্যাতিতা মহিলার বাড়ির লোককে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর নিজেদের অসহায় অবস্থার কথা জানানোর জন্য নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের লোকজন জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন। এ বিষয়ে বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু জানান যে তিনি ওই মহিলাকে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন। এর পাশাপাশি জেলাশাসক মহম্মদবাজারের বিডিওকে ওই নির্যাতিতা মহিলার পরিবার যাতে অবিলম্বে জল পায় তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান।