
অবাক শোনালেও পুলিশের দাবি এটাই সত্যি। অন্তত সুপারি কিলারদের জিজ্ঞাসা করে তেমনই জানতে পেরেছেন তাঁরা। আর সেই সূত্র ধরেই অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত গত মার্চ মাসে। কাঁথি থানা এলাকার ১টি মাঠের মধ্যে থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু তখন কেউ ওই যুবককে শনাক্ত না করায় দেহটি কাঁথির মর্গেই রাখা ছিল। পুলিশের দাবি, কিছুদিন আগে পূর্ব পুরুষোত্তমপুর গ্রামের বাসিন্দা অশোক ত্রিবেদী নামে এক ব্যক্তি ওই যুবকের দেহ শনাক্ত করেন। যুবককে তাঁর ছেলে বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু ছেলের মৃত্যু নিয়ে পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের করতে চাননি অশোক। এতেই সন্দেহ দানা বাধে পুলিশের মনে। কারণ সব বাবাই চাইবেন তাঁর ছেলের হত্যাকারীর শাস্তি হোক। তাই পুলিশে তিনি অভিযোগ করবেনই। এরপরই পুলিশ নতুন করে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পূর্ব পুরুষোত্তমপুর এলাকারই জয়দেব মাইতি ও দেবদুলাল মাইতিকে গ্রেফতার করে তারা। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের হাতে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানতে পারে ছেলের আচরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষুব্ধ ছিলেন অশোক ত্রিবেদী। ছেলেকে বারবার শোধরাতে বলেও কাজ না হাওয়ায় ছেলেকে খুন করার জন্য জয়দেব ও দেবদুলালকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেন অশোক। ২ সুপারি কিলারের এই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তির পরই অভিযুক্ত অশোক ত্রিবেদীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।